দেশব্যাপী বনধের অংশ হিসাবে বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারি বাস থামিয়ে রাস্তা অবরোধ করতে গিয়ে পুলিশের হাতে হ্রেফতার হলেন বাম ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতারা। এদিন ডিপো থেকে বের হওয়ার সময়ই সরকারি বাসগুলিকে বাধা দেন বন্ধ সমর্থকরা। তাতেই বিজয়ওয়াডা, গুন্টুর, ওঙ্গোল, বিশাখাপত্তনম, কাড়াপা-সহ অন্ধ্রপ্রদেশের বেশ কিছু এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করা হয়।

অন্ধ্রে বনধের সমর্থনে এদিন রাস্তায় নামে সিপিআই, সিপিএম-সহ অন্যান্য বাম দল ও ট্রেড ইউনিয়নগুলি। নরেন্দ্র মোদী সরকারের 'জনবিরোধী' এবং 'শ্রমিক বিরোধী' নীতিগুলির বিরুদ্ধে তারা বিক্ষোভ দেখায়, স্লোগান তোলে। মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নেতাকর্মীরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিলের দাবি জানানো হয়। এনপিআর এবং এনআরসি-র বিরুদ্ধে ওঠে স্লোগান।

চেন্নাই-এও এলপিএফ, সিটু, এআইটিইউসি, এইচএমএস-এর মতো শ্রমিক সংগঠনগুলি রাস্তায় নেমে বনধ পালন করেন। সেখানেও বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে চেন্নাই পুলিশ আটক করেছে।

কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে অবশ্য বিনা বাধাতেই ১০ শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরাই বনধের সমর্থনে বিশাল মিছিল করেন। বড়  মিছিল হয় রাজধানী দিল্লিতেও। বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরাতেও বনধের ভালোই প্রভাব পড়েছে। অসম, পঞ্জাব, হরিয়ানায় বনধের মিশ্র প্রভাব পড়েছে বলা চলে। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ব্য়াঙ্ক কর্মচারীদের আয়োজনে বড় মিছিল দেখা গিয়েছে।