LPG eKYC-র সময়সীমা আরও বাড়াল কেন্দ্র। রান্নার গ্যাস গ্রাহকদের জন্য নতুন শেষ তারিখ কী, ডিলারদের কাছে কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, জানুন বিস্তারিত।

গ্যাসের ই-কেওয়াইসি নিয়ে বড় স্বস্তির খবর পেলেন গ্রাহকেরা। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী এলপিজি সংযোগের ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। ইনডেন, এইচপি ও ভারত গ্যাসের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল যে ১৬ অগস্টের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। না হলেই গ্রাহকদের গ্যাস বুক করতে সমস্যায় পড়তে হবে। যারা ভর্তুকি পান তারা আর ভর্তুকি পাবেন না। তবে শুক্রবার নতুন খবর সামনে এল, ই-কেওয়াইসি করানোর সময়সীমা আরও কিছুদিন বাড়ানো হচ্ছে। এই মর্মে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে গ্যাস ডিলারদের কাছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের বার্তা

সরকারের সাফ কথা, ই-কেওয়াইসি না করালে রান্নার গ্যাসের জন্য গুনতে হতে পারে বাড়তি টাকা। যদিও ঠিক কত টাকা বেশি দিতে হবে, তা এখনও স্পষ্ট করেনি কেন্দ্র। তবে বর্তমান দামের তুলনায় তা যে অনেকটাই বেশি হবে, সে বিষয়ে মোটামুটি নিশ্চিত সূত্রগুলি। এই ঘোষণার পরই গ্রাহকদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় ই-কেওয়াইসি সারার হুড়োহুড়ি। অনলাইন-অফলাইন দু’ভাবেই এই প্রক্রিয়া সারার সুযোগ থাকলেও, ১৫ ও ১৬ অগস্ট ছুটির দিন পড়ে যাওয়ায় বহু গ্রাহক উদ্বেগে পড়েছিলেন কী ভাবে সময়মতো কাজটি সারবেন। যারা এখনও পর্যন্ত ই-কেওয়াইসি করাননি তাদেরই স্বস্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

ই-কেওয়াইসির মেয়াদ বৃদ্ধি

এই পরিস্থিতিতেই মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অনেকটাই স্বস্তি দিল। সূত্রের খবর, আগামী ২৩ অগস্ট পর্যন্ত ই-কেওয়াইসি করার সুযোগ পাবেন গ্রাহকেরা। অর্থাৎ হাতে আরও দিন ১৫ সময় পাবেন গ্রাহকরা। ইনডেন এলপিজি কুকিং গ্যাস ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিজন বিশ্বাস জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে ২৩ তারিখ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর নির্দেশ এসে পৌঁছেছে, যদিও এই বিষয়ে সরকারি কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি এখনও প্রকাশিত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহকদের অবশ্য এই নিয়ম থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে, বাকি সমস্ত গ্রাহককেই ই-কেওয়াইসি সারতে হবে।

যাঁরা এখনও প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধোঁয়াশায় আছেন, তাঁদের জন্য জানিয়ে রাখা ভালো, নিজের গ্যাস সংস্থার অ্যাপ ডাউনলোড করে সহজেই ঘরে বসে ই-কেওয়াইসি জমা দেওয়া যায়। আধারভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হবে ‘আধারফেসআরডি’ অ্যাপটিও, নয়তো গ্যাস সংস্থার অ্যাপে সমস্যা হতে পারে। আর যাঁরা অনলাইনে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁরা আধার কার্ড সঙ্গে নিয়ে সরাসরি নিজের ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে গিয়েও কাজটি সেরে ফেলতে পারেন।