Madhya Pradesh News: শনিবার বিকেলে মধ্যপ্রদেশে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এক হোটেল ভেঙে পড়ে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে বেশ কয়েকজন আটকে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
হোটেল ভাঙার তদন্ত
মধ্যপ্রদেশে হোটেল ভেঙে পড়ার পর উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তও করা হবে।

Madhya Pradesh Hotel Collapsed: শনিবার সন্ধের মুখে মধ্যপ্রদেশের অনুপ্পুর জেলার (Anuppur district) কোতমা শহরে (Kotma town) এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল। হঠাৎ ভেঙে পড়ল এক হোটেল। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এদিন বিকেল পাঁচটা বেজে ৫০ মিনিটে আচমকা ভেঙে পড়ে এই হোটেল। এই দুর্ঘটনায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, অন্তত ছয়-সাতজন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনার পরেই উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে। ক্রেনের সাহায্য ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় এক বাস স্ট্যান্ডের কাছে ছিল এই হোটেল। ওই অঞ্চল অত্যন্ত জনবহুল ও ব্যস্ত। হোটেল ভেঙে পড়ার পর সেখানে জড়ো হয়েছেন বহু মানুষ। তাঁরাও উদ্ধারকার্যে হাত লাগিয়েছেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতেই দুর্ঘটনা?

স্থানীয় দোকানদাররা জানিয়েছেন, হোটেলের পাশেই নতুন ভবন তৈরি করা হচ্ছে। তার জন্য পুরনো হোটেলের পাশে গভীর গর্ত খোঁড়া হয়েছে। এই কারণেই পুুরনো হোটেলের ভিত নড়ে গিয়েছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলে হঠাৎ চার তলা হোটেল একদিকে হেলতে শুরু করে। তারপর হঠাৎ ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধারকার্য শুরু করে। অন্তত দু'জনকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কোতমা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অন্তত চারজন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে আছেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টায় পুলিশ-প্রশাসন

হোটেল ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পুলিশ সুপার মতিউর রহমান। তিনি উদ্ধারকার্য তদারক করছেন। কোতমার তেহসিলদার দশরথ সিং, স্টেশন হাউস অফিসার রত্নাম্ভর শুক্লা, মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অজয় সরাফ-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এই ঘটনার জেরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টায় পুলিশ-প্রশাসন

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।