বিহারের জনতার রায় এডিএ-এর বিরুদ্ধে ছিল। শপথ নেওয়ার আগেও নিজের দাবিতে অনড় রইলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদব। সোমবার ৩১ বছরের তেজস্বীর দল বলে ভোটের ফলাফলে  ভোট দাতাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আর সেই কারণেই আরজেডি নীতিশ কুমারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সহযোগী কংগ্রেসও বামদলগুলিও অনুপস্থিত থাকছে নীতিশ কুমারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে। 

এদিন সন্ধ্যায় বিহার রাজভবনে সপ্তামবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন নীতিশ কুমার। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আরও ১৪ জন শপথ নেবন। বিজেপির পক্ষ থেকে তারকিশোর ও রেণ দেবী উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। সোশ্যাল মিডিায় বার্তা দিয়ে আরজেডির পক্ষ থেকে  জানান হয়েছে, আরজেডি এই পুতুল সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করছ। জনতার রায়ে পরিবর্তের পক্ষে গেলেও শাসকদলের নির্দেশে পরিবর্তন করা হয়েছে রায়। তাই এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে আরজেডি। 

আরজেডি  আরও বলে ভোটের ফলাফলে তারা হেরে গেছে। কিন্তু তারপরেও তাঁরা জনগণের সঙ্গে রয়েছেন। বেকার, কৃষক, শিক্ষক, চুক্তিকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের দাবিতে সরব হবে আরজেডি। দলের ঘনিষ্ঠ মহলে তেমনই জানিয়েছেন তেজস্বী যাদব। বিহারের একক সংখ্য গরিষ্ঠ দলের স্বীকৃতি পেয়েছে আরজেডি। দলের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে দুটি অসহায় দল সরকার গঠন করছে। নীতিশ কুমারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী যিনি হবেন তিনি অত্যান্ত দুর্বল। আগেই প্রমাণিত হয়েছে তিনি অসল ও দূর্ণীতিগ্রস্ত। এদিন দলের এক শীর্ষ স্থানীয় নৈতৃত্ব বলেছেন যে আরজেডির পক্ষেই জনসমর্থন ছিল। আর তাঁদের নেতা তেজস্বী যাদবল বিহারের সবথেকে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। আগামী দিনে যা দলের পাশাপাশই ব্যক্তিগতভাবে তেজস্বী যাদবকেও এগিয়ে নিয়ে সাহায্য করবে। কংগ্রেস বা আরজেডি নয়, নীতিশ কুমারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের দূরে রাখথে বামদলগুলি। বাম দলগুলির পক্ষে থেকে বলা হয়েছে, তারা এনডিএ-এর বিরুদ্ধে ক্রমাগত আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, তাই তাদের সাফল্যে বামদলগুলি কখনই অংশীদার হতে পারে না।