Marco Rubio: মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। তাঁর মতে, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং সেখানে অবাধ নির্বাচন হয়।

Marco Rubio: মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। তাঁর মতে, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ এবং সেখানে অবাধ নির্বাচন হয়। তাই এ নিয়ে কথা বলা ঠিক নয়। অন্যদিকে,কংগ্রেস রুবিওর এই মন্তব্যকে বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ। দলের মুখপাত্র পবন খেরা কটাক্ষ করে বলেন, “সাদা চামড়ার মানুষের কথায় কে কান দেয়!"মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তিনি কোনওরকম মন্তব্য করবেন না (Marco Rubio)। তিনি ভারতে চলা বিক্ষোভ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূতদের যৌথ বিবৃতিও খারিজ করে দিয়েছেন। রুবিও উলটে তাদের এই অবস্থানকে 'দ্বিমুখী নীতি' বলে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। সেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। তাই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা একেবারেই অনুচিত।

ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে নারাজ মার্কো রুবিও, "কে কান দেয়?" কটাক্ষ কংগ্রেসের

প্রসঙ্গত, মার্কো রুবিও যখন ভারত সফরে আসেন, তখন মার্কিন কংগ্রেসের ৬ জন সদস্য তাঁকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। ভারতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে রুবিও যাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, চিঠিতে সেই দাবি জানানো হয়েছিল। তবে কংগ্রেস রুবিওর এই অবস্থানকে একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি। কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা মার্কিন বিদেশ সচিবের মন্তব্যকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি কটাক্ষের সুরে প্রশ্ন তোলেন, "সাদা চামড়ার মানুষের কথায় কে আর কান দেয়!"

তিনি ভারতে চলা বিক্ষোভ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূতদের যৌথ বিবৃতিও খারিজ করে দিয়েছেন। রুবিও উলটে তাদের এই অবস্থানকে 'দ্বিমুখী নীতি' বলে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। সেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। তাই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা একেবারেই অনুচিত।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।