আনলকের প্রথম পর্বে গত কয়েকদিনে সংক্রমণের হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছেতাই ফের একবার লকডাউনের পথে ফিরতে হচ্ছেতবে দেশব্যপী নয়, আপাতত লকডাউন জারি করল শুধু তামিলনাড়ুএবার লকডাউন হবে সর্বাধিক সীমাবদ্ধ 

আনলকের প্রথম পর্বে গত কয়েকদিন ধরে গোটা দেশেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপর থেকে আরও একবার লকডাউনের পথে হাঁটতে হবে কিনা, এই চিন্তা ভূভারতে প্রায় সর্বত্র চলছে। গুজব রটেছিল ১৫ জুন থেকে কেন্দ্রীয় সরকার ফের দেশব্যপী লকডাউনের ডাক দিতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য পরে সেই জল্পনা উড়িয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, দক্ষিণী রাজ্য তামিলনাড়ুর ফিরল সেই লকডাউনের পথেই। তাও আবার শিথিল লকডাউন নয়, মুখ্যমন্ত্রী এডাপাডি কে পলানিস্বামী সোমবার বলেছেন 'সর্বাধিক সীমাবদ্ধ লকডাউন'-এর কথা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তিনি জানিয়েছেন, চেন্নাই, বৃহত্তর চেন্নাই, কাঞ্চিপুরম, চেঙ্গেলপেট এবং তিরুভাল্লুর জেলাগুলিতে ১৯ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই লকডাউন জারি থাকবে। এর মধ্যে যে দুই রবিবার পড়বে, ওই দুইদিন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে রাজ্য । প্রসঙ্গত সোমবার, তামিলনাড়ুতে মোট কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪,৬৬১-তে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ রোগীই চেন্নাই-এর। এরপরই এদিন বিভিন্ন বিভাগের ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত একটি মেডিকেল কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী পলানীস্বামী।

এই ১২ দিন উপরে উল্লেখ করা জেলাগুলিতে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি চালু থাকবে। তার বাইরে সমস্ত পরিষেবা নিষিদ্ধ করা হবে। মুদি, শাকসবজি ও ফলের দোকান এবং পেট্রোল পাম্পের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত খোলা থাকবে। চায়ের দোকান, প্রয়োজনীয় পরিষেবাদির বাইরে থাকা স্ট্যান্ডঅ্যালোন দোকান এবং বহুপণ্য বিক্রয়ের সুপারমার্কেট ইত্যাদি বন্ধ রাখতে হবে। ২১ ও ২৮ জুন - দুই রবিবারে শুধু দুধ বিতরণ, হাসপাতাল, ফার্মেসী এবং জরুরী স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা খোলা থাকবে।

হোটেল-রেস্তোরাগুলিকে সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা অবধি পার্সেল এবং ডেলিভারি পরিষেবা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। খাদ্য সরবরাহ পরিষেবা অবশ্য খোলা থাকছে। তবে বিতরণকর্মীদের আইকার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। ট্যাক্সি, অটো, ব্যক্তিগত যানবাহন - কিছুই চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে অন্যান্য রাজ্য থেকে আসা বিমান এবং ট্রেনগুলিকে রাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।