করোনাভাইরাসকে হারাতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুলে দিল মহারাষ্ট্রের এক এমবিবিএস MBBS পডু়য়া।   ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রকে সিয়ন হাসপাতালে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম মেনে দ্বিতীয় ডোজটিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরেই করোনাভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করা যায়নি ডাক্তারি পডুয়াকে। কারণে দ্বিতীয় ডোজটি নেওয়ার দিন কয়েক পরেই ডাক্তারি ছাত্রটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে আক্রান্ত ছাত্রের ভবিষ্যৎ পড়ে গেল প্রশ্নের মুখে। কারণ চলতি বছর ডাক্তারি পরীক্ষায় বসার আশা ক্রমশই ক্ষীন হয়ে আসছে আক্রান্ত ছাত্রের।

২১ বছরের ডাক্তারির ছাত্রকে করোনাভাইরাসের ভ্যাক্সিন কোভিশিল্ড দেওয়া হয়েছিল। গত সপ্তাহে তাঁকে টিকা দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরই মহামারির কিছু প্রাথমিক লক্ষণ তাঁর শরীরে ফুটে উঠতে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি নমুনা পরীক্ষা করান। তারপরই জানা যায় ওই ছাত্র করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এরপরই তাঁর সংশ্লর্শে আসা বাকিদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। হোস্টেলে ওই ছাত্রর সঙ্গে যাঁরা যারা থাকতেন তাদেরও আদালা রাখা হয়েছে। যাঁরা টিকা পেয়েছিলেন তাদেরও আদালা করে রাখা হয়েছে। 

এক চিকিৎসক জানিয়েছেন যে টিকা দেওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে না। অনাক্রম্যতা তৈরি হতে সময় লাগে। তিনি আরও বলেছেন, শিক্ষার্থীর হালকা লক্ষণ রয়েছে। এটি স্থিতিশীল ছিল। তিনি আরও বলেছেন টিকা দেওয়ার পরে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে। মেডিক্যাল শীক্ষার্থী দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলেও মনে করছেন তিনি। 

ব্রিগেডে গিয়ে আসাদউদ্দিনকে একলা করে দিয়েছেন আব্বাস, মিম কি তাহলে তৃণমূলের হাত ধরবে ...

রাজ্যে ৮ দফা নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ, সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল আবেদন ...

সিওন হাসপাতালের ডিন মোহন জোশী বলেছেন, তাঁরা বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখে যে টিকা দেওয়ার পরেও স্বাস্থ্য কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। তাতে তাঁরা অনুমান করেছেন দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার আগেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর সেই কারণে হাসপাতাল কর্মীদের টিকা নেওয়ার পরেই কোভিড সুরক্ষা প্রোটোকল মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিয়ন হাসপাতালের এক ডাক্তারি ছাত্র জানিয়েছেন, বেশ কয়েকজনকে আদালা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সামনেই পরীক্ষা। তাই করোনার কারণে যাঁদার আদালা রাখা হয়েছে তাদের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দেওয়া হবে কিনা সে সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়নি হাসপতালের পক্ষ থেকে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে কোভিড-১৯এর আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও নিয়ম চালু করেনি মহারাষ্ট্র সরকার, যেখানে তাঁদের সাধারণ হিসেবে গণ্য করা হবে। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আক্রান্তদের পরীক্ষা অনুপস্থিত হিসেবেই চিহ্নিত করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।