খুব দ্রুত বদল হচ্ছে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ। রবিবারই ব্রিগেডে সংযুক্ত মোর্চার মঞ্চে দেখা গিয়েছিলেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট্রের নেতা আব্বাস সিদ্দিকিকে। কিন্তু এই আব্বাস সিদ্দিকির হাত ধরেই বাংলায় ভোট বৈতরণী পার হতে চেয়েছিলেন এআইএমআইএম-এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তাই প্রথমবার ভোটের বাংলায় এসেই তিনি সোজা চলেগিয়েছিলেন ফুরফুরা শরিফে। সূত্রের খবর আব্বাস তাঁর সঙ্গে কোনও আলাপ আলোচনা না করেই বাম কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। পাশাপাশি আব্বাস গতকালই স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি উভয়ই তাঁদের প্রতিপক্ষ। ব্রিগেডে জনসভা থেকে রীতমত রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি। কিন্তু তততটাই একলা হয়ে গেছে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল।  এই অবস্থায় কী করবে এআইএমআইএম? একটি সূত্র বলছে আসাদউদ্দিন হাত মেলাতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে, যেমনটা করেছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। মহাজোট ছেড়ে তিনি হাত মিলিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। 

'তিনি কি বাংলার মা নন', রাজ্যের নির্যাতিতা মহিলার ছবি দিয়ে তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি নেতার ...

শুধু লাদাখ সেক্টরে সেনা অনুপ্রবেশই নয়, অস্থিরতা তৈরি করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে নজর ছিল চিনা হ্...

সংসবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে আব্বাস সিদ্দিকির ব্রিগেড সফর প্রসঙ্গে আসাদউদ্দিন বলেছেন, তিনি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে একাই পথ চলতে শুরু করেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ঠিক থাকলে অনেকেই তাঁর সঙ্গে আসবেন। যা পরবর্তীকালে ক্যারাভানের আকার নেবে। তারপরই তিনি বলেছেন বাংলার দলের রণকৌশল সম্পর্কে কিছু বলার সময় এখনও আসেনি। সঠিক সময়ই তিনি সব তথ্য দেবেন বলেও জানিয়েছেন। 


অন্যদিকে দলের এক নেতা বলেছেন সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস দুর্বল, সেখানে মিম বিজেপিকে হারাতে তৃণমূল কংগ্রেসকেই সমর্থন করবে। তৃতীয়বারের জন্য যাতে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসে তারই চেষ্টা করা হবে। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সঙ্গে আসন রফা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। আসাদউদ্দিন বিধানসভা ভোটের লড়াই করার জন্য ৩০-৩৫টি আসনের দাবি জানিয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দুই দলের প্রধান আলোচনায় বসতে পারেন বলেও সূত্রের খবর। সোমবারই ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যাবে আসাদউদ্দিন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাঁটছড়া বাঁধছেন কিনা।