গত তিনদিন ধরে হিংসার আগুনে জ্বলছে দিল্লি। বুধবার রাত পর্যন্ত এই হানাহানিতে মৃতের সংখ্যা টা ছিল ২৭। বৃহস্পতিবার সকালে আরও ৭ জনের মৃত্যু হওয়ায় সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৩৪-এ। এরমধ্যে পুলিশ, আইবি অফিসার, অটোচালক, ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মতো খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ - সর্বস্তরের লোক রয়েছেন। গুরু তেগ বাহাদুর হাসপাতালের লাশকাটা ঘরের সামনে এখন এইসব নিথর মানুষদের পরিবারের ভিড়।

জিটিবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিংসার বলি হওয়া বেশ কয়েকজনের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেছে। বাকিদের এখনও সনাক্ত করা যায়নি। এখানে এখনও অবধি দিল্লির এই হিংসায় গত তিনদিনে মৃত্যু হওয়া ৩৪ জনের নাম-পরিচয় দেওয়া হল। এই তালিকার তথ্য অসম্পূর্ণ। নিহতদের সকলের পরিচয়ের সম্পূর্ণ তথ্য পেলে তা এখানে প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুন - হোয়াটসঅ্যাপেই হয়েছিল দিল্লি হিংসা-র ছক, ফুটেজ ধরে ধরে চলছে 'বহিরাগত'দের খোঁজ

আরও পড়ুন - আগুন থেকে উদ্ধার করলেন মুসলমান প্রতিবেশীদের, নিজে পুড়ে গেলেন প্রেমকান্ত

দেখে নেওয়া যাক হিংসার বলিদের তালিকা -

দীপক, ৩৪ বছর বয়সী, মান্দোলি-র বাসিন্দা

অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষ, ৩০ বছর বয়সী, ভজনপুরার মাতা মান্ডির বাসিন্দা

ইশাক খান, ২৪ বছর বয়সী, কবির নগর (ওয়েলকাম) -এর বাসিন্দা

মহম্মদ মুদাস্সর, ৩০ বছর বয়সী, মোস্তফাবাদ (গলি নম্বর ২)-এর বাসিন্দা
 
বীর ভান, ৫০ বছর বয়সী, মৌজপুর (বিজয় পার্ক)-এর বাসিন্দা

মহম্মদ মোবারক হুসেন, ২৮ বছর বয়সী, মৌজপুর (বিজয় পার্ক)-এর বাসিন্দা

শান মহম্মদ, ৩৫ বছর বসয়ী, লোনি-এর বাসিন্দা

প্রবেশ, ৪৮ বছর বয়সী, মৌজপুর (বাপু রাম চক)-এর বাসিন্দা

অজ্ঞাত পরিচয় মহিলা, ৭০ বছর বয়সী, ঠিকানা অজ্ঞাত

জাকির, ২৪ বছর বয়সী, নিউ মুস্তাফাবাদ-এর বাসিন্দা

অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষ, ৪০ বছর বয়সী, ঠিকানা অজ্ঞাত

মেহতাব, ২২ বছর বয়সী, ব্রিজপুরী-র বাসিন্দা

আসফাক, ২২ বছর, মুস্তফাবাদ-এর বাসিন্দা

অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষ, ২২ বছর বয়সী, ঠিকানা অজ্ঞাত

অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষ, ২৫ বছর বয়সী, ঠিকানা অজ্ঞাত

রাহুল সোলাঙ্কি, ২৬ বছর বয়সী, বাবুনগর-এর বাসিন্দা

শাহিদ, ২৫ বছর বয়সী, মুস্তাফাবাদ-এর বাসিন্দা

মহম্মদ ফুরকান, ৩০ বছর বসয়ী, কর্দমপুরী-র বাসিন্দা

রাহুল ঠাকুর, ২৩ বছর, ব্রিজপুরী-র বাসিন্দা

রতন লাল, ৪২ বছর, গোকুলপুরী-তে হত

অঙ্কিত শর্মা, ২৬ বছর, চাঁদ বাগ

দিলবার, বয়স অজ্ঞাত, চমন পার্ক

আরও পড়ুন - মর্গে পড়ে আসফাক-রাহুল'দের দেহ, হাহাকারের দিল্লিতে মুসলিম বাবার পাশেই হিন্দু মা