নরেন্দ্র মোদীর যাদু এখনও অব্যাহত  বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আবাও দেখা গেল সেই যাদু একক বৃহত্তম দল বিজেপি  কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়েছে বিরোধী শিবির 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হলেন বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এগিয়ে থাকার মাস্টারমাইন্ড। কারণ যখন বিরোধীরা জোট নিয়ে অলোচনা করছে তখন থেকেই মোদী বিহারের নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছিলেন। মহামারির এই আবহে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি বিহারে একাধিক জনসভা করেছেন। সাসারাম, গয়া, ভাগলপুর, দারভাঙা থেকে শুরু করে পাটনা এনডিএ প্রার্থীদের সমর্থনে প্রায় ২ ডজন সভা করেছেন। মহামারির এই আবহে একএকদিনে দুটি করেও জনসভা করেছিলেন তিনি। তবে তাঁর সভাগুলিতে নিরাপত্তার পাশাপাশি করোনা প্রটোকলের ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছিল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী যেসব জায়গাগুলিতে জনসভা করেছেন সেখানে এগিয়ে রয়েছন এনডিএ প্রার্থীরা। ভাগালপুরে কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বী অজিত শর্মার থেকে এনডিএ প্রার্থী রোহিত পাণ্ডে এগিয়ে রয়েছেন। দারভাঙায় ১০টি আসনের মধ্যে ৯টিতেই এগিয়ে রয়েছে এনডিএ। মুজাফ্ফরপুরে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি প্রার্থী সুরেশ কুমার। পাটনায় একাধিক আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। 

Scroll to load tweet…


নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় অর্ধেকেরও বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি ও জেডিইউ জোটের এনডিএ। সকালে গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও তেজস্বীর নেতৃত্বাধীন মহাজোট বর্তমানে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই ট্রেন্ড সামনে আসার পরই বিহারে উচ্ছ্বাস শুরু করে দেন বিজেপি ও জেডিইউ কর্মীরা। কিন্তু এনডিএ-তে বিজেপি পিছনে ফেলে দিয়েছে নীতিশ কুমারের জেডিইউকে। বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৭২টি আসনে। জেডিইউ এগিয়ে রয়েছে ৪৭টি আসনে। বিহারে সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১২২। আর তা এনডিএ অনায়াসে অতিক্রণ করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 

Scroll to load tweet…

নির্বাচন কমিশনের ট্রেন্ড অনুযায়ী তেজস্বীর আরজেডি ১৪৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিল। তাঁর দল এগিয়ে রয়েছে ৬৫টি আসনে। সহযোগী কংগ্রেস ৭০টির মধ্যে ২১টি এগিয়ে রয়েছে। সিপিআইএমএল ১৪টি , সিপিআই তিনটিতে আর সিপিএম দুটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তবে করোনা মহামারির কারণে একাধিক প্রটোকল মানতে হচ্ছে। আর সেই কারণে নির্বাচনী ফলাফল আসনে সময় লাগবে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।