দীর্ঘ ১৫ মাস পরে বিদেশ সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনা-মাহামারির কারণে গত বছর অধিকাংশ বিদেশ সফরের নির্ধারিত সূচি বাতিল করেছিলেন তিনি। বাংলার মুক্তি যুদ্ধের ৫০তম বার্ষিকী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের শততম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই দুদিনের সফরে প্রতিবেশী বাংলাদেশে  রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সফরে নরেন্দ্র মোদী যান নতুন যুক্ত হওয়ায় কাস্টমের তৈরি করা ৭৭৭ বোয়িং এয়ারক্র্যাপ্টে-এ চড়ে। এটাই ছিল নরেন্দ্র মোদীর প্রথম এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ানএর সফর। ২০২০ সালে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বি৭৭৭ (B777)  এয়ারক্র্যাপ্টের উদ্বোধন করেছিলেন। 

প্রথম দফার ভোটে নজরে জঙ্গলমহল, বিজেপি তৃণমূলের লড়াইয়ে জমি কি ফিরে পাবে বামেরা ...

অভিনেত্রী থেকে ডাক্তার, এক নজরে দেখে নিন প্রথম দফার ৯ নজরকাড়া প্রার্থী ...

এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ানের বৈশিষ্ঠ্য
এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান হল ভারতের রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের জন্য ভিভিআইপি বিমান
বি৭৭৭ বি৭৪৭-৪০০ থেকে অনেক বেশি উন্নতমানের। জ্বালানি সংরক্ষণ দক্ষ
বিমানটিতে শব্দও অনেক কম
দুটি ভিবিআইপি বিমান ভ্রমণের জন্য পুনর্নির্মাণের জন্য বোয়িংএ ফেরত পাঠানোর আগে ২০১৮ সালে বেশ কয়েক মাস এয়ার ইন্ডিয়া বাণিজ্যিক ব্যবহার করেছিল
বি৭৭৭ এ অত্যাধুনিক মিসাইল প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে
গত বছর অক্টোবরে এই অত্যাধুনিক বিমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতে দিয়েছিল

এদিন সকাল আটটা নাদাগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লি থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য রওনা দেন। সকাল ১০.৩০ নাগাদ ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের সফরের মাঝেই প্রধানমন্ত্রী বাংলাতে টুইট করে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। 


বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ়় করতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উপহার দিয়েছে ভারত। আরও টিকা পাঠান হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামিকাল ওড়াকান্দিতে মতুয়াধাম দর্শনে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। যা নিয়ে কিছুটা হলেও উত্তাপ রয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। কারণ মতুয়াদের একাটা অংশ বাংলাদেশ ছেড়ে এদেশে চলে আসছে।  যারা মূলত শরণার্থী হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে। আর এই বাংলার বিজেপির কাছে মতুয়া ভোট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যদিও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মূলত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই এসেছেন।