নাসিকের চাঞ্চল্যকর টিসিএস কাণ্ডে ৪ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ১৫০০ পাতার চার্জশিট জমা দিল পুলিশ। শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা এবং জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় মোট ৯টি এফআইআর দায়ের হয়েছে, যার তদন্ত করছে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)।

Nashik TCS Case: নাসিকের চাঞ্চল্যকর টিসিএস কাণ্ডে বড়সড় আপডেট। শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থা এবং জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি এফআইআর-এর ভিত্তিতে ১৫০০ পাতার চার্জশিট জমা দিলো পুলিশ। এই ঘটনায় মোট ৯টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এর তদন্ত করছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আধিকারিকদের মতে, চার অভিযুক্ত—দানিশ এজাজ শেখ, তৌসিফ বিলাল আত্তার, নিদা এজাজ খান এবং মতিন মজিদ প্যাটেলের বিরুদ্ধে নাসিক রোড-এর অ্যাডিশনাল সেশনস অ্যান্ড স্পেশাল কোর্টে এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। দেওলালি ক্যাম্প পুলিশ স্টেশনে দায়ের হওয়া এই এফআইআর-টিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং এসসি/এসটি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে উঠে এসেছে যে হেনস্থা এবং ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার মতো অপরাধগুলি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল। নাসিকের পুলিশ কমিশনার সন্দীপ কার্নিকের নির্দেশে এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের তদন্তের জন্য সিট (SIT) গঠন করা হয়েছিল।

চার্জশিটে কী কী প্রমাণ রয়েছে?

তদন্তকারীরা এই মামলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পেশ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে রেকর্ড করা ১৭ জন সাক্ষীর বয়ান, ভিকটিম ও অভিযুক্তদের ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, মোবাইল ডেটা ও ইমেলের মতো ডিজিটাল প্রমাণ। এছাড়াও, ভিকটিমের নাম পরিবর্তনের চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত নথি, আর্থিক রেকর্ড, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, জাতিগত শংসাপত্র, গাড়ির বিবরণ এবং শনাক্তকরণ প্যারেডের রেকর্ডও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।

তদন্তের পরবর্তী ধাপ কী? 

আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন যে, প্রথম মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়া হলেও তদন্ত এখনও চলছে। আরও প্রমাণ সংগ্রহ করার পর বিএনএসএস (BNSS) আইন অনুযায়ী একটি সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেওয়া হবে। মুম্বই নাকা পুলিশ স্টেশনে দায়ের হওয়া বাকি আটটি মামলার তদন্তও চলছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেগুলির চার্জশিট ফাইল করা হবে।

জামিন পায়নি অভিযুক্তরা, একজন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে

আদালত এখনও পর্যন্ত এই মামলার সমস্ত অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এর আগে, গত ১১ মে, অভিযুক্ত নিদা খানকে নাসিক রোড কোর্টে হাজির করার পর ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এরপর তাকে নাসিক রোড সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।