বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, তাড়াহুড়ো করে জিএসটি-র চালু করতে যাওয়াটাই দেশের অর্থনীতির মুখ থুবড়ে পড়ার একটি বড় কারণ। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে গিয়ে অবশ্য অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ অবশ্য জিএসটি চালুর সিদ্ধান্তকে ভারতীয় অর্থনীতিতে ঐতিহাসিক সংস্কার বলে দাবি করলেন। 

বাজেট পেশ করতে গিয়ে এ দিন শুরুতেই জিএসটি-র সাফল্য ব্যাখ্যা করার পিছনে খরচ করেন সীতারমণ। তিনি স্বীকার করে নেন, প্রাথমিকভাবে জিএসটি কার্যকর করতে গিয়ে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু জিএসটি কাউন্সিল দ্রুত সেই সমস্ত জটিলতা দূর করে জিএসটি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে মসৃণ করেছে বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন-হলদে শাড়িতে লাল 'বহিখাতা'য় পোজ নির্মলার , ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে সংসদে অর্থমন্ত্রী

সীতারমণ আরও দাবি করেন, জিএসটি চালু হওয়ার পরে পরিবার পিছু মানুষের হাতে আরও বেশি টাকা থাকছে। শুধু তাই নয়, জিএসটি-র জন্যই কর আদায়ে 'ইন্সপেক্টর রাজ' বন্ধ করা গিয়েছে বলেও দাবি করেন অর্থমন্ত্রী। যদিও তাঁর এই দাবি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সংশয় প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে সীতারমণ অবশ্য দাবি করেছেন জিএসটি চালু হওয়ার ফলে মাঝারি এবং ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলি বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, জিএসটি চালু হওয়ার ফলে চল্লিশ লক্ষ নতুন রিটার্ন জমা পড়েছে, ৮০০ কোটি চালান আপলোড হয়েছে। পাশাপাশি ১০৫ কোটি ই বিল বের করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর আশ্বাস, আগামী  ১ এপ্রিল থেকে আরও সহজে জিএসটি রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করা হবে।