এখনও পর্যন্ত কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি কোভ্যস্কিনে। তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলাকালীন এমনই মন্তব্য করেন আমেদাবাদ হাসপাতালের চিকিৎসক পারুল ভাট। শুক্রবার তিনি জানিয়েছেন, তৃতীয় পর্যায়েরে ট্রায়ালে আমেদাবাদের সোলার সিভির হাসপাতালে গত সপ্তাহে এক মহিলা-সহ পাঁচ জন স্বাস্থ্যবান স্বেচ্ছাসেবীকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছিল। স্বেচ্ছাসেবকরা এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোনও সমস্যার কথা জানাননি। হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক পারুল ভট্ট জানিয়েছেন  ২৮ দিন পরে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। যে স্বেচ্ছাসেবীদের করোনার প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছিল তাঁরা এখনও পর্যন্ত কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা বিরূপ কোনও উপসর্গের কথা জানাননি। শুক্রবার আরও বেশ কয়েকজনকে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধেক দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

দেশীয় প্রযুক্তিতে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করেছে হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক। এই সংস্থাটিকে সহযোগিতা করেছে ইন্ডিয়ার কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ ও পুনের ন্যাশানাল ভাইরোলজি। প্রতিষেধকটি তৃতীয় দফার ট্রায়াল শুরু হয়েছে। গোটা দেশে ২৫টি কেন্দ্রে ২৬ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবীকে টিকা প্রদান করা হবে। আগামী ১২ মাস ধরে এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলবে। স্বেচ্ছাসেবকদের যদি কোনও সমস্যা হয় তাহলে তাঁদের জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করার জন্য একটি ফোননম্বরও দেওয়া হয়েছে। যেকোনও জটিলতা দেখা দিয়ে হাসপাতাল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

সুদূর সিডনির ক্রিকেট মাঠে আদানিদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, পোস্টার হাতে মাঠে ঢুকল দর্শক ..

'আশা আছে এখনও, আরও আলোচনা চায় শুভেন্দু', মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার পর বললেন সৌগত রায় ...

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের এই ফল করোনাভাইরাসের প্রতিষেধকের দৌড়ে ভারতকে আরও কিছুটা এগিয়ে দিল বলা যেতেই পারে। কারণ এখনও পর্যন্ত বিশ্বের চারটি প্রতিষেধক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে ফাইজার, মডেরনা ও রাশিয়ার স্পুটনিক ভি করোনার বিরুদ্ধে ৯৫ শতাংশ কার্যকারীতা দেখাতে পেরেছে বলেই দাবি করা হয়েছে। প্রথমে অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রোজেনেকার বিকাশ করা প্রতিষেধকও ৭০ শতাংশ কার্যকারিতার কথা ঘোষণা করেছিল। কিন্তু প্রতিষেধ তৈরিতে গোলমাল ধরা পড়ে। অ্যাস্ট্রোজেনেকার সিইও বৃহস্পতিবারই জানিয়েছেন, তারা আবারও নতুন করে ট্রায়াল শুরুর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।