Odisha ATM Heist: ওড়িশার বালেশ্বর জেলায় অবিশ্বাস্য কাণ্ড। সিনেমার দৃশ্যকেও হার মানাল এক দুঃসাহসিক এটিএম চুরির ঘটনা। গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা একটি কালো রঙের মাহিন্দ্রা থার গাড়ি নিয়ে এসে গোটা এটিএম মেশিনটিকেই দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে উপড়ে নিয়ে যায়।
Odisha ATM Heist: ওড়িশার বালেশ্বর জেলায় অবিশ্বাস্য কাণ্ড। সিনেমার দৃশ্যকেও হার মানাল এক দুঃসাহসিক এটিএম চুরির ঘটনা। গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা একটি কালো রঙের মাহিন্দ্রা থার গাড়ি নিয়ে এসে গোটা এটিএম মেশিনটিকেই দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে উপড়ে নিয়ে যায়। গোটা ঘটনার CCTV ফুটেজ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোররাত প্রায় ২টো নাগাদ খয়রা থানার অন্তর্গত তুরিগাড়িয়া বাজার এলাকায় থাকা একটি 'ইন্ডিয়া ওয়ান' এটিএম কিয়স্ককে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাঁচজনেরও বেশি দুষ্কৃতী।

এটিএম বুথের দরজা ভেঙে অবাক কাণ্ড
প্রথমে তারা এটিএম বুথের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। এরপর দড়ি দিয়ে পুরো এটিএম মেশিনটি থার গাড়ির সঙ্গে বেঁধে টানতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই ভারী মেশিনটি উপড়ে রাস্তার উপর টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এটিএমটি প্রায় ২০০ মিটার পর্যন্ত রাস্তা ধরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে নির্জন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে মেশিনটি ভেঙে ভিতরে থাকা টাকা লুট করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত এটিএমটি রাস্তার ধারে ফেলে রেখে চম্পট দেয় তারা।
দেখুন ভাইরাল ভিডিও
সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত
শনিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে খয়রা থানার পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত এটিএমটি উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে থার গাড়ি ও অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কত টাকা লুট হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, রাতে পর্যাপ্ত পুলিশ টহল না থাকায় চুরি-ডাকাতির ঘটনা বেড়েই চলেছে। রাতের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি উঠেছে।
হলিউডের সিনেমাকেও হার মানিয়ে দিল
থার গাড়ি দিয়ে গোটা এটিএম টেনে নিয়ে যাওয়ার এই অভিনব কায়দার ডাকাতি অনেকের কাছেই হলিউড বা বলিউডের অ্যাকশন ছবির দৃশ্যের মতো মনে হয়েছে। সেই কারণেই সিসিটিভির ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।


