২৭ বছর পর বিরাজমান হতে চলেছেন রামলাল মাত্র ১১ দিনের জন্য প্রতিস্থাপন করা হবে মন্দিরে  চৈত্র নবরাত্রি উপলক্ষ্যে সামনে আনা হচ্ছে রামলালাকে মন্দির ট্রাস্টের পরবর্তী বৈঠক ৪ এপ্রিল 

চৈত্র নবরাত্রি উপলক্ষ্যেই বিরাজমান হতে চলেছেন রামলালা। আগামী ২৪ মার্চ ফাইবারের মন্দিরে সামনে আনা হবে রামলালাকে। সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায়। পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন ফাইবারের তৈরি মন্দিরে প্রতিস্থাপন করা হবে রামলালাকে। ফাইবারের মন্দির তৈরি করা হচ্ছে দিল্লিতে। সেখান থেকেই মন্দির নিয়ে এসে মূল মন্দির চত্ত্বরে রাখা হবে। অযোধ্যার জেলা শাসকের সঙ্গে শনিবার গোটা এলাকার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন তিনি। একই সঙ্গে জানিয়েছেন আগামী চৌঠা এপ্রিল মন্দির কমিটির পরবর্তী বৈঠক রয়েছে। সূত্রের খবর হোলির পরেই মন্দির নির্মাণের দিন ঘোষণা হতে পারে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃ নির্দেশিকা জারির আগেই গুজরাতের সংস্থা তুলে নিয়েছিল কোটি কোটি টাকা, জগন্নাথের ৫০০ কোটি আটকে

আরও পড়ুনঃ ইয়েস ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের উদ্বেগ থেকে স্টেট ব্যাঙ্কের ঘোষণা, দেখুন ১০টি তথ্য

২৪ মার্চ ফাইবারের তৈরি মন্দিরে মূর্তি প্রতিস্থাপন করা হবে হবে। জনগণের জন্য তা উন্মুক্ত করা হবে ২৫ মার্চ থেকে। আগামী তেশরা এপ্রিল পর্যন্ত রামলালার দর্শন পাবেন ভক্তরা। দীর্ঘ ২৭ বছর পর সাধারণের জন্য বিরাজমান হতে চলেছে অযোধ্যার রামলালা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর থেকেই অযোধ্যায় মন্দির নির্মাণের সবরকম প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। দফায় দফায় বৈঠকও করছেন মন্দির নির্মাণ কমিটির সদস্যরা। এই পরিস্থিতি রামলালার সাময়িক দর্শনও ভক্তজনকে উৎসাহিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় করমর্দন নয়, নমস্কার করুন, পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

মন্দির নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই অর্থ সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয়েছে। চম্পত রাই জানিয়েছে, বিশে ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত মন্দির কমিটি সংগ্রহ করেছে প্রায় নয় লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যে ট্রাস্টের নামে স্টেট ব্যাঙ্কে নতুন অ্যাকাউন্টও খোলা হয়েছে। শনিবারই অযোধ্যা সফরে গিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। মন্দির নির্মাণের জন্য মহারাষ্ট্র সরকার এককোটি টাকা দেবে বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন বিজেপির সঙ্গ ছাড়লেও হিন্দুত্ব ছাড়েননি তিনি।