আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির শুরুতেই হবে টিকাকরণএমনটাই আশা ভারত সরকারেরহাতে আসতে পারে একটি নয়, দু-দুটি টিকাঅক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা'র ভ্যাকসিন মিলতে পারে ৫০ শতাংশ মূল্যে 

ভারতের ডাক্তার, নার্স এবং পুরকর্মীদের মতো কোভিড ফ্রন্টলাইন কর্মীরা আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির শুরুতেই টিকা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা'র ভ্যাকসিনটি ব্রিটিশ সরকারের অমুমোদন পেলেই, সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া-কে ভারত জরুরীকালীন ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেবে। তবে তার জন্য সিরাম ইননস্টিটিউটকে টিকাটির জরুরী ব্যবহারের জন্য ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানাতে হবে। মনে করা হচ্ছে ডিসেম্বরেই করা হবে সেই আবেদন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কেন্দ্রীয় সরকার অ্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই টিকার ডোজ সংগ্রহের জন্য ভ্যাকসিন নির্মাতাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। বর্তমানে সেই চুক্তি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দাম নিয়ে দরাদরি চালাচ্ছে ভারত সরকার। ভারত বিশাল পরিমাণ টিকা ক্রয় করবে, তাই আরও ভাল দাম নিয়ে আলোচনা করেছে। অন্যান্য বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য কোভিড ভ্যাকসিন প্রার্থীর মতোই এই ভ্যাকসিনটিরও দুটি ডোজ নিতে হবে। আর এই দুই ডোজ করে ভ্যাকসিন এমআরপি-র প্রায় অর্ধেক দামে পেতে পরে সরকার। অর্থাৎ দুটি করে ডোজের দাম পড়তে পারে ৫০০-৬০০ টাকা।

আরও পড়ুন - কোভিড মুক্ত হলেও যাচ্ছে না মৃত্যুভয়, প্রতিরোধের পথ বাতলালো ভারতীয়-মার্কিনিদের গবেষণা

আরও পড়ুন - কোভিড-কে হারিয়েও কাটল না সঙ্কট, ভেন্টিলেশনে অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

আরও পড়ুন - ভ্যাকসিন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, তবে কি আর বেশি দূরে নেই কোভিডের টিকা

অন্যদিকে, রবিবারই জানা গিয়েছিল ভারত বায়োটেক-এর কোভাক্সিন ৬০ শতাংশ কার্যকর হয়েছে। এখন কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চলছে। প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষালব্ধ তথ্য জমা দেওয়ার পর, এই ভ্যাকসিনটিকেও জরুরি অনুমোদন দিতে পারে সরকার। কাজেই সরকার মনে করছে যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তাহলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ভারতের হাতে অ্ক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং ভারত বায়োটেক - দুই সংস্থার তৈরি দুটি ভ্যাকসিন চলে আসবে ভারতের হাতে। ইতিমধ্য়েই প্রথম কারা এই টিকা পাবেন, তার তালিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে। কাজেই, ফেব্রুয়ারি শুরু বা জানুয়ারির শেষ থেকেই ভারতে শুরু হয়ে যেতে পারে টিকাকরণের কাজ, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।