চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ল্যান্ডার বিক্রমের দূরত্ব ছিল মাত্র ২.১ কিলোমিটার। তারপর আর কিছুক্ষণের অপেক্ষার পরই আচমকাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে। ঘটনার জেরে খানিকটা ভেঙে পড়েন বিজ্ঞানী মহল। কিন্তু বারবারই বিজ্ঞানীদের মনে অভয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  ভারতের এই অসফলতাকে এক হাত নিলেন পাক মন্ত্রী ফাওয়াদ হুসেন। সাফল্যের কাছাকাছি তা না পাওয়ায় ভারতের চন্দ্রাভিযান নিয়ে কটাক্ষের সুরে একাধিক তীর্যক মন্তব্য করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

 

ইসরোর উদ্দেশে পাকিস্তানের বিজ্ঞানমন্ত্রী ফাওয়াদ হুসেন জানান, 'প্রিয় 'এন্ডিয়া' যে কাজটা করতে পারো না, সেই কাজ করার দরকার কী'। শুধু তাই  নয় ভারতকে দরিদ্র দেশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, আর একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন যে, নরেন্দ্র মোদী স্যাটেলাইট কমিউনিকেশ নিয়ে এমনভাবে ভাষণ দিচ্ছেন যেন মনে হচ্ছে তিনি রাজনীতিবিদ কম, নভশ্চর বেশি। 

তিনি আরও বলেন লোকসভার উচিত তাঁকে প্রশ্ন করা, ভারতের মতো গরীব দেশে কেন এইভাবে ৯০০ কোটি টাকা খরচ করা হল। কটাক্ষের এখানেই শেষ নয় চন্দ্রযান ২-কে খেলনা বলেও মন্তব্ করেন তিনি। হ্যাশট্যাগ ইন্ডিয়া ফেইলড বলে তিনি লেখেন চাঁদের বদলে মুম্বইতে পড়ে গেল খেলনা। 

অধরা রইল ইতিহাস,তবুও ইসরোকে উৎসাহ যোগাতে শুভেচ্ছাবার্তায় উপচে পড়ল সোশ্যাল মিডিয়া

রাষ্ট্রপতি হতে চায় সে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কেন নয়, মজার ছলে স্কুল পড়ুয়াকে প্রশ্ন মোদীর

যদিও ভারতকে এইভাবে কটাক্ষ করে খুব একটা সুবিধে করে উঠতে পারেননি তিনি, তাঁর এই মন্তব্যের জেরে ভারতীয়দের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তাঁকে উদ্দেশ করে একজন লিখেছেন ভারতের সাফল্য দেখার জন্য তাঁকে সারা রাত অপেক্ষা করে থাকতে হল!