কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভের কারণে আরও বেশি করে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। ৯ দিনে পড়া কৃষক বিক্ষোভ অবিলম্বে ছত্রভঙ্গ  করা জরুরি বা বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া জরুরি বলেও দাবি করা হয়েছে। দিল্লি সংলগ্ন এলাকায় চলা কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে তেমনই একটি আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে।

 আবেদনে বলা হয়েছে মহামারি প্রতিহত করাতে গেলে বা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গেলে বিক্ষোভকারী কৃষকদের অন্যত্র সরিয়ে দিতে হবে। দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় বলা হয়েছে। বিক্ষোভকারী কৃষকদের কারণে সমস্ত জরুরি পরিষেবা থমকে গেছে। রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে যাতাযাত প্রায় স্তব্ধ হয়ে গেছে।  যাতায়াত করা রীতিমত সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিক্ষোভের কারণে জরুরি পরিষেবার পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবাও পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। দিল্লিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই কারণে আক্রান্তদের ক্ষেত্রেও যাতায়াত একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে দিল্লিতে চিকিৎসার জন্য প্রচুর মানুষ আসা যাওয়া করেন বিক্ষোভের কারণে তাদের যাতায়াতে সমস্যা দেখা দিয়েছে বলেও জানান হয়েছে আবেদনপত্রে। 

৫ মাস আগেই বিজেপির ভোট ম্যানেজমেন্ট টিম তৈরি, দলের ১১৭ জনের তালিকা প্রকাশ ...

কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপে ফেলতে নয়া কৌশল, মঙ্গলবার ভারত বনধের ডাক কৃষকদের ...

আইনজীবী ওম প্রকাশ পরিহার এই জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন। বলেছেন যে প্রতিবাদকারীদের অন্যত্র কোনও জায়গায় স্থানান্তরিত করা উচিৎ। পাশাপাশি প্রতিবাদকারীরা যাতে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলেন তাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ। তিনি আরও বলেছেন বিক্ষোভকারীদের শান্তপূর্ণভাবে অবস্থান বিক্ষোভের জন্য পুলিশ একটি জায়গা বরাদ্দ করেছে। কিন্তু প্রতিবাদী কৃষকরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা সীমানা এলাকা আটকে রেখে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন এতে যাত্রীদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।  পাশাপাশি তিনি বলেন বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছেন। পুলিশ এতো বড় সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।