গান্ধী পরিবারের দায়িত্বে থাকা তিন ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক কেলেঙ্কারির নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান হয়েছে তদন্ত কমিটির মাথায় রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের এক আধিকারিক। সিবিআইও এই কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করবে বলে জানান হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঘোষণার পরই সরব হন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, যাঁরা সত্যের জন্য লড়াই করছে  মোদী সরকার তাঁদের ভয় দেখাচ্ছে।

রাজীব ও ইন্দিরার নামে তৈরি ট্রাস্টে অর্থ কেলেঙ্কারি, তদন্তের সামনে সনিয়া-রাহুল ...

ভারত থেকে নিউজিল্যান্ডে বাজার করতে গিয়ে বিপাকে করোনা আক্রান্ত , হতেপারে জেল আর জরিমানা ...  

বিষয়টি নিয়ে  রীতিমত সোশ্যাল মিডিয়া রীতিমত ক্ষোভ উগরে দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ঘোষণার পর বিকেল রাহুল বলেন মাননীয় মোদী বিশ্বাস করেন গোটা পৃথিবী তাঁর মত। প্রত্যেককে কিনে নেওয়া যায় বা  ভয় দেখানো যায়। তারপরই প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখেন, তিনি কখনই বুঝতে পারবেন না যারা সত্যের জন্য লড়াই করেন তাদের কিনে নেওয়া যায় না বা ভয় দেখান সম্ভব নয়। 

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে রীতিমত কড়া ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন রাহুল গান্ধী। তবে শুধু রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন ইস্যুতেই নয়। করোনা ভাইরাস থেকে শুরু করে লাদাখ ইস্যুতে নিত্যদিন প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন। লাদাখ সীমান্ত নিয়ে যখন উত্তেজনার পারদ ক্রমশই চড়ছে তখনই রাহুল রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ তুলে গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। ইউপিএ আমলে মনমোহন সিং যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন চিনা রাষ্ট্রদূতের অফিস থেকে আসা অনুদান গ্রহণ করেছিল রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন। এটাই ছিল বিজেপির মূল অভিযোগ। রাহুল সনিয়ার সঙ্গে চিনা যোগ স্পষ্ট করতেই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল।  তারপরই গান্ধী পরিবারের  দায়িত্বে থাকা ট্রাস্টগুলি নিয়ে তদন্তের কথা ঘোষণা করা হয় সরকারের তরফ থেকে।