PM Modi: পেট্রোল , ডিজেল, রান্নার গ্য়াস ব্যবহারের ক্ষেত্রে এবার সংযমী হতে , দেশবাসীকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পেট্রোল , ডিজেল, রান্নার গ্য়াস ব্যবহারের ক্ষেত্রে এবার সংযমী হতে , দেশবাসীকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও বলেছেন, সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলির ক্ষেত্রে ভারত স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। দেশে পোট্রোপণ্যের চাহিদার একটি বড় অংশের আমদানি করতে হয় অন্য দেশ থেকে। এই ধরনের আমদানিকৃত পণ্যগুলি অপচয় না করার জন্য দেশবাসীর কাছে আর্জি জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর মতে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ফলে এগুলির অপচয় সংকট তৈরি করতে পারে।

রবিবার কংগ্রেস শাসিত তেলাঙ্গনায় একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই মোদী পেট্রোপণ্যের অপব্যবহার রুখতে আবেদন জানিয়েছেন। প্রায় ৯,৪০০ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি তেলেঙ্গানার প্রত্যেক পরিবারকে আশ্বাস দিচ্ছি যে আপনাদের স্বপ্নপূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার আরও দ্রুত গতিতে কাজ করবে।" গত ১২ বছরে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর সরকারের বিশেষ জোর দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মোদী জানান, সড়ক, রেল ও বিমানবন্দর খাতে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়েছে। তিনি জানান, "শুধুমাত্র জাতীয় সড়ক নির্মাণেই প্রায় ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, গত ১১ বছরে তেলেঙ্গানায় জাতীয় সড়কের নেটওয়ার্ক দ্বিগুণ হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'বর্তমান সময়ে পেট্রল, ডিজেল, গ্যাস— এ সব জিনিস অত্যন্ত সংযমী হয়ে ব্যবহার করতে হবে। যে সব জ্বালানি পণ্য আমরা বিদেশ থেকে আমদানি করি, সেই গুলি যেটুকু প্রয়োজন ততটুকুই ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। এতে বিদেশি মুদ্রারও সাশ্রয় হবে এবং যুদ্ধের সঙ্কটের বিরূপ প্রভাবকেও কমানো যাবে।'

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়র ফলে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও প্রভাব ফেলেছে হরমুজ প্রণালি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে পেট্রল, ডিজেল বা গ্যাসের মতো পণ্য আমাদের অত্যন্ত বুঝে ব্যবহার করতে হবে। যা আমরা আমদানি করি, তার ব্যবহার প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত রাখতে হবে। এতে একদিকে যেমন বিদেশি মুদ্রার সাশ্রয় হবে, তেমনই পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে তৈরি হওয়া বিশ্বজনীন সঙ্কটের বিরূপ প্রভাবও ভারতের ওপর কম পড়বে।'

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতা ও জলপথে পণ্য পরিবহণে অনিশ্চয়তার যে ছায়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পড়েছে, তার মোকাবিলাতেই প্রধানমন্ত্রীর এই সতর্কতা বলে মনে করা হচ্ছে।