বিজেপির পাখির চোখ বিহার নির্বাচন। তাও আরও একবার প্রামান হয়ে গেলে। বিহার ভোটের আগে রীতিমত কল্পতরু হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার মৎস সম্পদ যোজনার অ্যাপ লঞ্চের এবার এবার প্রধানমন্ত্রী নজর দিয়েছেন পেট্রোলিয়াম সেক্টরে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানান হয়েছে, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পেট্রোলিয়াম সেক্টরে সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন তিনটি প্রকল্পের উদ্ধোবধ করবেন যেগুলির মাধ্যেমে বিহারের পাশাপাশি উপকৃত হবে প্রতিবেশী রাজ্যগুলি।  প্রকল্পগুলি হল পারাদ্বীপ-হলদিয়া-দুর্গাপুর পাইপাইন বৃদ্ধি, যা দুর্গাপুর-বাঁকা বিভাগের অন্তর্গত। ২টি এলপিজি বটোলিং প্ল্যান্ট পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রকল্পগুলির সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। 


দুর্গাপুর বাঁকা বিভাগের পাইপলাইন প্রকল্পঃ
ইন্ডিয়ান ওয়েলের ১৯৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপনাইনটি পারাদ্বীপ হলদিয়া আর দুর্গাপুরকে সংযুক্ত করে। ২০১৯ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি এই প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই পাইপলাইনটি ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দিয়ে গেছে। তবে এই প্রকল্পের রাস্তাটি খুব একটা সুগম ছিল না। পাইপলাইন নিয়ে যাওয়া হয়েছে ১৩টি নদীসহ ১৫৪টি ব্রিজ, ৫টি জাতীয় সড়ক আর ৩টি রেল ক্রসিং-এর ওপর দিয়েছ তবে জলের গতিধারাকে না আটকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই প্রকল্প রূপায়িত হয়েছে। 

কিমের নির্দেশ করোনা আক্রান্ত দেখলেই গুলি করে হত্যা করতে হবে, দবি মার্কিন সেনার ..

মন্ত্রীর চুল কেটে মিলল ৬০ হাজার, মহামারির সময় রীতিমত জ্যাকপট পেলেন মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা .


বিহারের বাঁকা এলপিজি বোটলিং প্ল্যান্টঃ 
রাজ্যে এলপিজির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বাঁকায় ইন্ডিয়ানওয়েলের এলপিজি বটোলিং প্ল্যান্ট তৈরি করা হয়েছে। যা আগামী দিনে বিহারকে আত্মনির্ভর হতে সাহায্য করবে। এই প্ল্যান্টে এলপিজি সঞ্চয়ের ক্ষমতা ১৮০০ মেগাটন আর প্রতিদিন ৪০ হাজারেও বেশি সিলিন্ডার ভরার ক্ষমতা রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যে বিহারে প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান তৈরি করতে সহযোগিতা করবে বলেও দাবি করা হয়েছে। 

বিহারের চম্পারণ এলপিজি প্ল্যান্টঃ
এইচপিসিএলের ১২৩ টি টিএমটিটিপিএ এলপিজি বটোলিং প্ল্যান্ট পূর্ব চম্পারন জেলার হারসিধিতে নির্মিত হয়েছে। খরচ হয়েছে ১৩১.৭৫ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে এই ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। চম্পারন, সিওয়ান, গোপালগঞ্জ সীতামারি জেলায় এলপিজির চাহিদা পুরণ করতে পারবে এই প্ল্যান্ট।