আবারও রাষ্ট্রপতি ভবনে হামলা করল করোনাভাইরাস। এবার আক্রান্ত হয়েছে রাষ্ট্রপতিভবনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পদস্থ পুলিস আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছেন চরম ছোঁয়াচে এই জীবানুতে। রবিবার রাষ্ট্রপতি ভাবন সূত্রে জানান হয়েছে আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিকের চিতিৎসা চলছে। তাঁর অফিস পুরোপুরি স্যানিটাইজ করা হয়েছে। 

রাষ্ট্রপতিভবন সূত্রের খবর পূর্ব দিল্লির কারকারদুমা এলাকার বাসিন্দা ওই পুলিশ আধিকারিক।  তাঁর সংস্পর্শে আসা ৬ কর্মীকে ইতিমধ্যেই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকের সংস্পর্শে আসা বাকিদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতিভবনের মূল ভবনেই অফিস ছিল আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিকের। তবে তাঁর ডিউটি পড়েছিল মূল ভবনের বাইরে। নিরাপত্তার কারণে সম্পূর্ণ এলাকাই পরিচ্ছন্ন করা  হয়েছে। 

গতমাসেই করোনাভাইরাসের হানা দিয়েছিল রাষ্ট্রপতিভবনে। সেই সময় ১২৫ জন কর্মীকে আইসোলেশনে পাঠান হয়েছে।  সেই সময়ই নিরাপত্তার কারণে স্যানিটাইজ করা হয়েছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। 

আরও পড়ুনঃ মাইলের পর মাইল হেঁটেই চলেছেন 'ওঁরা', তৃতীয় দফার লকডাউনের শেষ দিনেও ছবিটা একই ..

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসও চিড় ধরাতে পারেনি হিন্দু-মুসলিমের বন্ধুতে, ভাইরাল দুই পরিযায়ী শ্রমিকের ছবি

আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকেই শুরু লকডাউন ৪.০, তার আগেই সময়সীমা বাড়াল মহারাষ্ট্র তামিলনাড়ু ...

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ আগেই জানিয়েছিলেন করোনাসংক্রমণের কারণে তৈরি হওয়া সংকটের জন্য তিনি তাঁর ৩০ বেতন গ্রহণ করবেন না। সেই মত গতসপ্তারেই তিনি মাত্র ৭০ শতাংশ বেতন গ্রহণ করেছিলেন। ব্যায় সংকোটের জন্যও রাষ্ট্রপতি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। খরচ হ্রাস করাই যার অন্যতম লক্ষ্য। কমিয়ে দেওয়া হয়েছে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়।