আবারও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নিশানায় রয়েছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। তবে এবার মোদী সরকারের পাশাপাশি দেশে সংবাদ মাধ্যমগুলিকেও নিশানা করেন তিনি। তিনি বলেন আগামী ৬-৭ মাসের মধ্যে সমস্যা আরও প্রকোট হবে। দেশে বাড়বে বেকার যুবক যুবতীর সংখ্যা। কিন্তু তাঁদের জন্য কাজের কোনও ব্যবস্থা করতে পারবে না কেন্দ্রের মোদী সরকার। 

বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায়  রাহুল গান্ধী বলেন আগামী ৬-৭ মাসের বিপদ ঘরের দরজায় কড়া নাড়বে। কিন্তু ভারত সরকার দেশের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কোনও রকম কাজের ব্যবস্থা করতে পারবে না। এই কথা বলার পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন গত ফেব্রুয়ারি মাসেই তিনি করোনাভাইরাসের মহামারি নিয়ে রীতিমত আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তখন দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলি তাঁকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করেছিল। এদিন সেই কথা মনে করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বলেন যাঁরা তাঁর কথা বিশ্বাস করছেন না তাঁরা আগামী ৬-৭ মাস অপেক্ষা করুন। তারপরই দেখতে পাবেন আসল ছবিটা। 


এদিন রাহুল গান্ধী আরও বলেন এটা খুবই সত্যি যে গত ৭০ বছরে এমন পরিস্থিতি কখনই তৈরি হয়নি যে দেশ তার যুবক যুবতীদের চাকরি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। চাকরির এই সংকটের কারণ হিসেবেই রাহুল গান্ধী দায়ি করেন দেশের ক্ষুদ্র ও কূটির শিল্পকে। তিনি বলেন বর্তমান আর্থিক সংকটের জন্য এমএসএমই সেক্টর প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। আর সেই কারণে এখন থেকেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। 

উত্তরাখণ্ড সীমান্তে সক্রিয় লাল ফৌজ বাড়াচ্ছে নজরদারি, সতর্ক করল গোয়েন্দারা ...

করোনাভাইরাসের 'নিঃশব্দ বাহক' শিশুরা, নতুন সমীক্ষায় মিলেছে আরও চমকপ্রদ তথ্য ...
রাহুল গান্ধী এদিন আরও বলেন দেশের ৯০ শতাংশ কর্মসংস্থান হয় অসংগঠিত কাজের জায়গা ছেকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদাসীনতায় ক্ষুদ্র শিল্প, কৃষি শিল্প প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন একের পর এক সংস্থা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র মাঝারি শিল্প ও সংস্থাগুলি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া রাহুল গান্ধী এদিন আবারও রীতিমত সমালোচনা করেন নরেন্দ্র মোদীর। 

উল্কার মধ্যেই করোনাভাইরাস ছিল বলে দাবি বিক্রমসিংহের, মহাজাগতিক উৎসের তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের ..