এই সময় সংকীর্ণ রাজনীতি বন্ধ করুন। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের পর এই ভাষাতেই এবার সোনিয়া গান্ধীকে নিশানা করল ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ ফেডারেশন। এটি  ভারতীয় রেলের কর্মচারীদের সবথেকে বড় সংগঠন। সংগঠনের সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র বৃহস্পতিবার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর উদ্দেশ্যে চিঠিটি লিখেছেন বৃহস্পতিবার। সেখানেই তিনি বলেন, শ্রমিক ট্রেন ও ট্রেনের ভাড়া নিয়ে আর কোনও রাজনীতি না করাই ভালো। 

চিঠিতে সনিয়া গান্ধীকে রীতিমত তুলোধনা করা হয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বলা হয়েছে সংকীর্ণ রাজনীতির জন্য কোনও সুব্যবস্থাকে নষ্ট করে না দেওয়াই ভালো। অভিবাসী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে দেশে ১১৫টি ট্রেন চালান হচ্ছে।   সংকীর্ণ রাজনীতি করে অভিবাসী শ্রমিকদের বাড়ির ফেরার সুব্যবস্থাকে অস্থির না কাররও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, করোনাভারাইসের এই  মহামারীর সময় যে কোনও পরিহনই রীতিমত ভয়ঙ্কর। রেল কর্মীরা তাঁদের কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে সেই অসাধ্য সাধন করতে বদ্ধ পরিতক। উস্কানিমূলক মন্তব্যে রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে উপচেপড়া ভিড় দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে চিঠিতে। 

গত পয়লা মে অভিবাসী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে ট্রেন চালু করেছিল রেল মন্ত্রক। কিন্তু টিকিটের দাম নিয়ে শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক তরজা। বিরোধীদের বক্তব্য ছিল করোনা সংকটে রীতিমত জর্জরিত দেশের মানুষ। এই অবস্থায় ৪০ দিন পরে অভিবাসী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কী করে তাদের থেকে টিকিটের ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তুলে আনা হয়েছিল বিদেশ থেকে নিখরচায় যাত্রীদের নিয়ে আসতে পেরেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের থেকে কী করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী ঘোষণা করেছিলেন অভিবাসী শ্রমিকদের ট্রেনের ভাড়া দিয়ে দেবে কংগ্রেস। তারপরে কিছুটা হলেও পিছু হাঁটে রেলমন্ত্রক। ঘোষণা করা হয়ে অভিবাসীদের ঘরে ফেরাতে ৮৫ শতাংশই ভর্তুকি দেবে রেল। বাকি ১৫ শতাংশ দেবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি। 

আরও পড়ুনঃঅবশেষে এল স্বস্তির খবর, করোনার প্রতিষেধক অবিষ্কার হয়েছে বলে দাবি ইতালির ...

আরও পড়ুনঃ উহানের পরীক্ষাগার নিয়ে বেজিং সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল আমেরিকাকে, দাবি জানান সম্পূর্ণ তথ্য পেশের ...

অন্যদিকে উত্তর প্রদেসে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে অভিবাসীদের ট্রেনের টিকিটের ভাড়া ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। পাশাপাশি তাঁদের দাবি ঘরে ফেরা শ্রমিকদের জন্য স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খাবারের ব্যবস্থাও করতে হবে।