রাজস্থানের কংগ্রেসের রাজনৈতিক সমস্যা কি একদিনেই মিটে যাবেং? বাজি ধরতেই পারেন বুকিরা।  কী করবেন শচীন পাইলট? প্রাক্তন সহকর্মীর মতই শিবির বদল করবেন না কি কংগ্রেসের হাইকমান্ডের কথা শুনে চলবেন? তা এখনও স্পষ্ট করেননি শচীন পাইলট। সূত্রের খবর দিনভর নাটকের পর কংগ্রেস হাইকমান্ড তাঁকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলতের অধীনেই কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে জানান হয়েছে রাজস্থান পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলতের অধীনে থাকা স্বরাষ্ট্র দফতরের ভূমিকাতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। কারণ রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে পুলিশের বিশেষ অপারেশন গ্রুপ গত ১০ জুলাই উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটকে একটি চিঠি দিয়েছিল। সেই চিঠিতে তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করা হবে বলে লেখা ছিল। আর চিঠি নিয়ে রীতিমত উষ্মা প্রকাশ করেন শচীন পাইলট। 


সূত্রের খবর শচীন পাইলটের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ৩০ জন বিধায়ক যোগাযোগ রেখে রেখে চলেছেন। বেশ কয়কজন নির্দল বিধায়কও তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। শচীন যে সিদ্ধান্তই নেবেন তাতেই সায় রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।  সূত্রের খবর বিজেপির সঙ্গে দরকষাকষিতে শচীন নাকি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদের দাবি জানিয়েছেন।  তবে মধ্যপ্রদেশের ঘটনার পূনরাবৃত্তি চায়না কংগ্রেস। তাই শচীনের সঙ্গে রীতিমত যোগাযোগ রেখেছে হাইকমান্ড। রবিবার রাতেই শচীনকে রাজস্থান ফিরতে বলা হয়েছে। 

সূত্রের খবর রবিবার রাহুল গান্ধী সারসরি টেলিফোনে কথা বলেন শচীন পাইটলের সঙ্গে। তিনি গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হয়। পাশাপাশি শচীন পাইলট নিজের আশঙ্কার কথাও জানান রাহুল গান্ধীকে। তিনি আশঙ্কা করছেন রাজ্য রাজনীতিতে গহলত তাঁকে কোনঠাসা করতে চাইছে। পাশাপাশি রাজ্য সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। 

 
অন্যদিকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলত ও তাঁর অনুগামীরা জানিয়েছেন শচীন ও তাঁর অনুগামীদের সর্বদাই স্বগত। এদিন রাতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকেও আমন্ত্রণ জানান হয়েছে শচীন ও তাঁর অনুগামীদের। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শচীন পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলেও জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী। 

'অপারেশন কমল' নিয়ে তোলপাড় রাজস্থানের রাজনীতি, জ্যোতিরাদিত্যর পর কি এবার দল ছাড়ছেন শচীন পাইলট ...
 

প্রাক্তন সহকর্মী শচীন পাইলটের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সদ্যো দলবদল করা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ওপর নির্যাতন ও পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সিন্ধিয়া। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ প্রতিভা ও ক্ষমতার সামান্য বিশ্বাসযোগ্যতা রাখা উচিৎ কংগ্রেসের। 

নেটিজেনদের মন কাড়ল অসমের বাঘ, হলুদ নয় তার গায়ের বর্ণ সোনালী ...

গালওয়ান সীমান্ত উত্তাপ এখনও দেশীয় রাজনীতিতে বর্তমান, চিন ইস্যুতে গান্ধী-নাড্ডার তরজা ...

রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ট হিসেবেই কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সমাদৃত হয়েছিলেন কংগ্রেসের দুই তরুণ তুর্কী নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও শচীন পাইলট। কিন্তু বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনে হারিয়েও মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস ধরে রাখতে পারেনি সিন্ধিয়াকে। আর শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে রাজস্থানে ফিরে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন পাইলট তা সময়ই বলবে।