রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে এটি হবে হরিবংশের তৃতীয় মেয়াদ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, একজন মনোনীত সদস্যের অবসরের ফলে সৃষ্ট শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি হরিবংশকে রাজ্যসভায় মনোনীত করেছেন। উল্লেখ্য যে সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাজ্যসভায় সর্বোচ্চ ১২ জন সদস্যকে মনোনীত করতে পারেন।
রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশের সাংসদ হিসেবে মেয়াদ আজ ১০ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। এই শূন্য আসনের জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়ে গেছে। হরিবংশের দল জনতা দল (ইউনাইটেড) এবার তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠায়নি। উচ্চকক্ষ থেকে হরিবংশের বিদায় একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁকে আরও একটি মেয়াদের উপহার দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি তাঁর নিজস্ব রাজ্যসভা কোটা থেকে হরিবংশকে মনোনীত করেছেন। এ বিষয়ে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কোটা থেকে মনোনীত হওয়ার ফলে এখন এটি নিশ্চিত যে, আগামী ছয় বছর ধরে উচ্চকক্ষে হরিবংশের কণ্ঠস্বর শোনা যেতে থাকবে।
রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে এটি হবে হরিবংশের তৃতীয় মেয়াদ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, একজন মনোনীত সদস্যের অবসরের ফলে সৃষ্ট শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি হরিবংশকে রাজ্যসভায় মনোনীত করেছেন। উল্লেখ্য যে সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাজ্যসভায় সর্বোচ্চ ১২ জন সদস্যকে মনোনীত করতে পারেন। সংবিধানে এমন সব বিশিষ্ট ব্যক্তিকে মনোনীত করার বিধান রয়েছে, যাঁরা সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান এবং সমাজসেবার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। নির্বাচিত সদস্যদের মতোই মনোনীত সদস্যদের মেয়াদের মেয়াদও ছয় বছর। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এবং জেডিইউ (JDU)-এর সভাপতি নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হরিবংশ পেশায় একজন সাংবাদিক।
উত্তরপ্রদেশের বলিয়া জেলার জয়প্রকাশ নগরের বাসিন্দা হরিবংশ ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমবার রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। সে সময় জেডিইউ-এর পক্ষ থেকে তাঁকে উচ্চকক্ষে পাঠানো হয়েছিল। জেডিইউ টানা দু'বার হরিবংশকে রাজ্যসভায় পাঠালেও, তৃতীয় মেয়াদের জন্য তাঁকে মনোনীত করেনি। এরপর উচ্চকক্ষে তাঁর সংসদীয় জীবনের ইতি ঘটেছে বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সরকার রাষ্ট্রপতির কোটার মাধ্যমে তাঁকে মনোনীত করেছে।
২০১৮ সালের ৯ আগস্ট হরিবংশ রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তিনি টানা দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য পুনরায় নির্বাচিত হন। উচ্চকক্ষে তৃতীয় মেয়াদের আসনটি নিশ্চিত করার পর তিনি কি টানা তৃতীয় মেয়াদের জন্য পুনরায় নির্বাচিত হবেন? এখন সবার দৃষ্টি রয়েছে এই বিষয়টির উপরই।
