সালটা ছিল ১৯৮০, তখন রাশিয়া ছিল অভিভক্ত। আর সেই সময় মিখাইল গর্ভাবচবের মন্ত্রিসভায় রীতিমত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন বর্তমান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর সেই সময় থেকেই পুতিনকেই টার্গেট করেছিল ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা। রুশ দেশের গোপনীয় ক্রিয়াকলাপ আর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত জানার জন্য দুজনকে ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা 'র' বা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইংস দুজনকে নিয়োগও করেছিল। যার মধ্যে একজন ছিলেন পুতিনের প্রাক্তন বান্ধবী। কিন্তু সেই বান্ধবীর নাম প্রকাশ্যে আনেননি লেখক। ব্যবহার করেছিলেন কোড নেম। আটের দশকে 'র'এর কার্যকলাপ নিয়ে একটি বই লিখেছেন সাংবাদিক ইয়েতিশ যাদব। তাঁর বইতেই রয়েছে একাধিক রোমহর্ষক তথ্য। 


এই বইয়ের তথ্য অনুযায়ী ১৯৯৮-৯৯ সালে পুতিন এফএসবির প্রধান ছিলেন। তারপর ২০০০সালেই তিনি রাশিয়ার প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আগেই বলেছি লেখক কখনই কোনও চরিত্রের আসল নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু তিনি বসেছেন প্রেমিকা আনাস্তাসিয়ার প্রেমিক অ্যালেকসিক সেই সময় এফএসবিএর শীর্ষে ছিলেন। আর যা সম্পূর্ণরূপে মিলে যায় পুতিনের বায়োডেটার সঙ্গে। তবে ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থার কোন আধিকারিক এই দায়িত্বে ছিলেন তা স্পষ্ট করেননি লেখক। কোড নাম ব্যবহার করে তিনি জানিয়েছে সেই আধিকারিক ছিলেন অশোক খুরানা। যিনি তথ্য সংগ্রহের জন্য সরাসরি নিয়োগ করেছিলেন পুতিনের বান্ধবীকে। তিনি প্রায় এক দশক ধরে সোভিয়েতে অভিযান চালিয়ে একের পর এক প্রয়োজনীয় তথ্য হাসিল করেছিলেন। আর এই কাজ শুরু হয়েছে গর্ভাচভ  ভারত সফরে এসেছিলেন। আর র-এর আধিকারিক অশোক খুরানা সেই সময় এক রাশিয়ান রাজনৈতিকের ছোট ভাই আলোকসান্দ্রের সঙ্গে দেখা করে এই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। সেই আলেকসান্দ্রেই অশোক খুরানার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন পুতিনের বান্ধবীর। আর অশোক খুরানা তাঁর নিযুক্ত দুই এজেন্টের সঙ্গে ৮৯ সাল পর্যন্ত যোগাযোগ রেখেছিলেন। 

খসে খসে পড়ছে ইসলামাবাদ বিমান বন্দরের ছাদ, দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও ..

১ হাজার কোটি টাকা হাওয়ালাকাণ্ডে চিনা নাগরিকের বিরুদ্ধে ইডির মামলা, চলছে জিজ্ঞাসাবাদও ...
ভারতীয় এই গুপ্তচর সংস্থার সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতার কাহিনীও লিপিবদ্ধ করেছেন সাংবাদিক ইয়েতিশ যাদব। তাঁর নতুন বইতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক কাজকর্মের ওপর আলোকপাত করতে চেয়েছেন তিনি।  তাঁর বইতে মূলত গুরুত্ব পেয়েছে ৭০-৯০ এর ঠান্ডা যুদ্ধের বছরগুলি। 

নেতৃত্ব নিয়ে আবার প্রকাশ্যে কংগ্রেসের বিবাদ, 'ফেসবুককাণ্ড' ইস্যু করে ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ...