চিন ও দক্ষিণ কোরিয়ার পর এবার ভারতেও দেখাগেল করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হওয়া রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি যাওয়ার পরেও রেহাই পায়নি। আবারও আক্রান্ত হয়েছে করোনাভাইরাসে। চণ্ডীগড়ের মোহালি হাসপাতাল থেকে ১০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি যান। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই এক জন রোগী আবারও সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে আসেন। এই ঘটনা দেশের আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় ঘটেছে। কেরল আর হিমাচল প্রদেশেও একই জিনিস লক্ষ্য করা গেছে। যা নিতে ইতিমধ্যেই সংশয় প্রকাশ করতে শুরু করেছেন চিকিৎসকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে আক্রান্তদের দ্বিতীয়বারের জন্য সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। 

এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কথায় সংক্রমণে ও রোগ এই দুটি আলাদা বিষয়। দেহের অভ্যন্তরে ভাইরাসটি গেলে সংক্রমণ ঘটবে। আর ভাইরাসটি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা যখন শুরু হবে তখনই তা রোগের পর্যায় উন্নীয় হবে। আরেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানিয়েছেন রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অ্যান্টিজেনকে ছাপিয়ে গেলেও করোনাভাইরাস শরীরে উপস্থিত থাকতে পারে। শুধুমাত্র গলা আর নাকে ভাইরাসের উপস্থিতি বলতে কোনও রোগ বোঝায় নয়। যতক্ষণ না লক্ষণগুলি সামনে আসছে। 

দেবতার ঘরেও করোনাভাইরাসের হানা, তিরুপতির দর্শন নিয়ে বিবাদ তুঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও পুরোহিতদের ...

চিকিৎসকদের কথায় ভাইরাসটি খুবই দ্রুত নিজের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। তাই ভাইরাসটি পরিবর্তিত হয়ে গেলে এবং একটি নতুন স্ট্রেইনের বিকাশের ক্ষেত্রে যেকোনও মানুষই দ্বিতীয়বার সংক্রমিত হতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়া ও চিনে  একই জিনিস লক্ষ্য করা গেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

'১০ অগাস্ট দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষে পৌঁছাবে', মহামারী নিয়ে কেন এমন ভবিষ্যৎবাণী ..

এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানিয়েছেন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে যাওয়ার ১০ দিনের পর অন্য কোনও মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে না। তাই সুস্থ হয়ে যাওয়া রোগীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন ১৪ দিন কঠোরভাবে আইসোলেশনে থাকতবে হবে। তাতেই নিরাপদ থাকবে পরিবার ও পরিচিতরা। তিনি জানিয়েছেন যে কোনও করোনা রোগীকেই ১০ পর্যন্ত হাসপাতালে রাখা হয়। তবে তিনি হাসপাতাল থেকে ফিরে যাওয়ার পর রীতিমত সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন। 

শচীন পাইলটের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আদালতে গেলেও চিদম্বরম-সিংভিকে কী বললেন ...

চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন সংক্রমণ রুখতে সবথেকে প্রয়োজনীয় হল মাস্কের ব্যবহার করা, জনবহুল স্থান এড়িয়ে চলা আর নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা। কিন্তু