ভারতীয় সেনাবাহিনী জরুরি তথ্য সংগ্রহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এর জন্য, বন্দুক, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, কাউন্টার-ড্রোন, লোটার অ্যামুনিশন, যোগাযোগ ও অপটিক্যাল সিস্টেম, বিশেষজ্ঞ যানবাহনের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

এখন বিশ্বের সর্বোচ্চ ও দুর্গম যুদ্ধক্ষেত্রেও ইন্টারনেট সুবিধা থাকবে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস এই দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস সিয়াচেন সিগন্যালারদের দ্বারা বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহের ১৯,০৬১ ফুট উচ্চতায় চালু করেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এর আগে রবিবার, লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর আর কে মাথুর প্যাংগং এবং নুব্রা মহকুমা পরিদর্শন করেছিলেন। এ সময় তিনি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করেন। তারা নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সংযোগ উন্নত করতে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের মতো দাবি জানিয়েছিল।

ভারতীয় সেনাবাহিনী জরুরি তথ্য সংগ্রহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এর জন্য, বন্দুক, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, কাউন্টার-ড্রোন, লোটার অ্যামুনিশন, যোগাযোগ ও অপটিক্যাল সিস্টেম, বিশেষজ্ঞ যানবাহনের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের সর্বোচ্চ এবং শীতলতম যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত সিয়াচেন গ্লেসিয়ারের নজরদারিতে রয়েছে ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস।

Scroll to load tweet…

সিয়াচেন হিমবাহ
সিয়াচেন হিমবাহ সমগ্র বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র। যেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়। যার কারণে সেখানে থাকা সেনাদের হিমশিম খেতে হয় তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে চলতে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় শরীর অসাড় হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়তে হয়। মাইনাস তাপমাত্রায় সারা বছর থাকা সেনাদের নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়তে হয়। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি মস্তিষ্কের অসাড়তার সমস্যাও হতে পারে সেখানে। 

ভারতীয় সেনা ১৯৮৪ সাল থেকে এখানে নজরদারি চালাচ্ছে

সিয়াচেন হিমবাহ ভারত-পাক নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ৭৮ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এর একপাশে পাকিস্তান আর অন্যদিকে চিনের সীমান্ত আকসাই চিন। কৌশলগত দিক থেকে এই হিমবাহটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৪ সালের আগে এই স্থানে ভারত বা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উপস্থিতি ছিল না। ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে সিয়াচেন এলাকাকে প্রাণহীন ও অনুর্বর আখ্যা দেওয়া হলেও এই চুক্তিতে দুই দেশের সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি। 

১৯৮৪ সালে, গোয়েন্দা তথ্য পায় যে পাকিস্তান সিয়াচেন হিমবাহ দখলের চেষ্টা করছে। এর পরে, ১৯৮৪ সালের ১৩ই এপ্রিল ভারত তার সেনাবাহিনী মোতায়েন করে। সেনাবাহিনী এখানে দখলের জন্য অপারেশন মেঘদূত শুরু করেছিল।