জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সরকার 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ তিপকে। তাঁর অভিযোগ, শুধু এক্স নয়, অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Delhi News: সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ তিপকে। তাঁর অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে তাঁর ব্যাঙ্গাত্মক দলটির এক্স (আগের টুইটার) অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বড়সড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

অভিজিতের এই দলটি সম্প্রতি মিম এবং সরকারি কাজকর্ম নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্যের জন্য অনলাইনে ভাইরাল হয়েছিল। তাঁর আরও অভিযোগ, শুধু এক্স অ্যাকাউন্টই নয়, তাঁদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট, ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য ব্যাকআপ সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনের ওপর বড়সড় আঘাত হানা হচ্ছে।

তিপকের দাবি, 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে, যার ফলে তাঁরা পেজটির অ্যাক্সেস হারিয়েছেন। নিজের ব্যক্তিগত এক্স হ্যান্ডেল থেকে করা পোস্টে তিনি আরও জানান, তাঁর ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও হ্যাক হয়েছে। একইসঙ্গে পার্টির এক্স অ্যাকাউন্টটি ভারতে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং ব্যাকআপ অ্যাকাউন্টটিও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিপকে লেখেন, "'ককরোচ জনতা পার্টি'-র ওপর আক্রমণ। ইনস্টাগ্রাম পেজ হ্যাক হয়েছে। আমার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রামও হ্যাকড। টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড। ব্যাকআপ অ্যাকাউন্টও উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।"

'স্বৈরাচারী' পদক্ষেপ, পাশে অনলাইন জনতা

তিপকে আরও দাবি করেন যে, তাঁদের জনপ্রিয় ওয়েবসাইটটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে 'স্বৈরাচারী' আচরণের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, এই ডিজিটাল আন্দোলন অনলাইনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ এই ব্যাঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মের সদস্য হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন। বিশেষ করে মিলেনিয়াল এবং জেন-জি প্রজন্মের কাছে মিমের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্যাটায়ারের জন্য এটি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, NEET-UG পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে একটি পিটিশনে 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র প্রায় ছয় লক্ষ সদস্য সই করেছিলেন। তিপকের অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি বেছে বেছে তাঁদের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অ্যাকাউন্টগুলিকে নিশানা করছে। এই কারণেই তিনি দিল্লি হাইকোর্টের কাছে বিচার চেয়েছেন।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।