School holiday: স্বাধীনতা দিবসের আগে আরো ২দিন ছুটি স্কুল-কলেজ? পড়ুয়াদের পোয়াবারো!
অগাস্ট মাসে অপ্রত্যাশিত ছুটি পেতে চলেছে এই রাজ্যের পড়ুয়ারা। স্বাধীনতা দিবসের আগে পরপর দুদিন ছুটি পেতে পারে তারা। ৮ আগস্ট স্কুল-কলেজ সহ একাধিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

অগাস্ট মাসে অপ্রত্যাশিত ছুটি পেতে চলেছে এই রাজ্যের পড়ুয়ারা। স্বাধীনতা দিবসের আগে পরপর দুদিন ছুটি পেতে পারে তারা। ৮ আগস্ট স্কুল-কলেজ সহ একাধিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এই অগাস্টে উৎসবের ছুটির পাশাপাশি আকস্মিক ছুটিও জুড়ছে পড়ুয়াদের তালিকায়। অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকটি জেলার পড়ুয়ারা এই সপ্তাহেই একটি বিশেষ ছুটি পেতে চলেছে। আদিবাসী জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি তাদের অধিকার আদায়ের জন্য 'মান্যম বনধ'-এর ডাক দিয়েছে। সেই কারণেই এই অপ্রত্যাশিত ছুটি।
আদিবাসী অধিকার এবং এজেন্সি এলাকার আত্মমর্যাদা রক্ষার জন্য আদিবাসী জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি (JAC) এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক মান্যম ও এজেন্সি জেলায় আগামী ৮ আগস্ট, শনিবার, বনধের ডাক দিয়েছে তারা। জিও নম্বর ৩ পুনর্বহাল এবং অন্যান্য সাংবিধানিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেই এই আন্দোলন।
এই বনধের প্রভাবে এজেন্সি এলাকার স্কুল, কলেজ এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলি পুরোপুরি বন্ধ থাকতে পারে। তবে ৮ আগস্ট দ্বিতীয় শনিবার হওয়ায় সরকারি স্কুলগুলিতে এমনিতেই ছুটি থাকবে। কিন্তু যে সব বেসরকারি স্কুল-কলেজ খোলা থাকে, সেখানকার পড়ুয়ারা এই বনধের কারণে ছুটি পাবে।
জেএসি-র ডাকে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে। আরটিসি বাস এবং বেসরকারি যান চলাচলও প্রভাবিত হতে পারে। জেএসি ব্যবসায়ীদের স্বেচ্ছায় দোকান বন্ধ রেখে বনধকে সমর্থন করার আবেদন জানিয়েছে। তবে জরুরি পরিষেবা, যেমন চিকিৎসা, দুধ এবং ওষুধের দোকান, বনধের আওতার বাইরে থাকবে।
এই বনধের প্রধান দাবি হল জিও নম্বর ৩ পুনর্বহাল করা। এই আইন অনুযায়ী, এজেন্সি এলাকার স্কুল এবং অন্যান্য স্থানীয় চাকরিতে স্থানীয় আদিবাসীদের জন্য ১০০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। কিন্তু এই আদেশ বাতিল হওয়ায় আদিবাসী যুবকরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছেন বলে মনে করে আদিবাসী সংগঠনগুলি।
৮ আগস্টের মান্যম বনধের প্রভাব মূলত উত্তরান্ধ্র এবং উপকূলীয় এজেন্সি এলাকাগুলিতে পড়বে। বিশেষ করে পার্ষ্বতীপুরম মান্যম, আল্লুরি সীতারাম রাজু, এলুরু জেলার এজেন্সি এলাকাগুলিতে বনধের বড়সড় প্রভাব দেখা যাবে। এছাড়াও বিশাখাপত্তনম, শ্রীকাকুলাম এবং পূর্ব গোদাবরী জেলার আদিবাসী এলাকাতেও বনধ পালিত হবে।