নিভারের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়। সেটির নাম বুরেভি। চলতি সপ্তাহে ৪ঠা ডিসেম্বর সেই ঘূর্ণিঝড় আছড়তে পড়তে পারে তামিলনাড়ুতে। আর এই প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে তামিল নাড়ুর পাশাপাশি কেরলেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে দেশের আবহাওয়া দফতর বা মৌসম ভবন।  

আবহাওয়া দফতরের খবর মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই বঙ্গপোসাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। আর সেই কারণেই ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যা বা রাতে শ্রীলঙ্কা উপকূলের খুব কাছে ত্রিনকোমালি এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। সেই এলাকায় রাতের দিকে ঘণ্টা ৯৬ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তারপরই এটি পশ্চিমদিকে সরে যেতে পারে। ৪ ডিসেম্বর সকাল থেকেই এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করবে ভারতে। এখনও পর্যন্ত উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার কন্যাকুমারিকা ও পাব্বানের মধ্যে দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে আছড়ে পড়বে। বর্তমানে এটি কন্যাকুমারিকা থেকে ৮৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এটি তীব্র শক্তিশালী আকার ধারন করতে চলেছে।

শীতের শুরুতেই লাদাখে ধাক্কা খেল ড্রাগনরা, লাল ফৌজদের থেকে এগিয়ে ভারতীয় জওয়ানরা ... 

দীর্ঘ বৈঠকেও আধরা সমাধান সূত্র, কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় আন্দোলনকারীরা ...

আবহাওয়ার দফতের কাথায় আগামিকাল থেকেই কেরল, তামিলনাড়ু-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। আগামী পাঁচ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে লাক্ষাদ্বীপেও। পয়লা ডিসেম্বর থেকেই বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাছ ধরতে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যেসব মৎসজীবীরা ইতিমধ্যেই বেরিয়ে পড়েছেন তাদেরও ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণ করতেও বলা হয়েছে।