পাটনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কোভিড ১৯ আইসোলেশন ওয়ার্ডে ধর্ষণের শিকার এক নাবালিকা। জানা গিয়েছে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর লালসার শিকার হতে হয় কিশোরীকে।

৮ জুলাই বিকেলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, জ্বর-মাথাব্যথা সহ করোনা সংক্রমণের কিছু উপসর্গ নিয়ে গত ৮ তারিখ হাসপাতালে ভর্তি হয় ওই কিশোরী। শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় তাকে রাখা হয় আইসোলেশন ওয়ার্ডে। অভিযোগ, ওই রাতেই একা পেয়ে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় মহেশ প্রসাদ নামে হাসপাতালেই কর্মরত এক নিরাপত্তারক্ষী। যদিও গত বুধবার এই বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সবচেয়ে সস্তার কোভিড-১৯ টেস্টিং কিট তৈরি করল ভারত, আত্মপ্রকাশ করল 'করসিওর'

পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের পর মেয়েটিকে হুমকিও দেয় অভিযুক্ত। ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনি ওই কিশোরী। পরে, বুধবার বাড়ির লোককে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হলে, গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ জানানো হয় কিশোরীর পরিবারের তরফে। এরপর পুলিশের কাছেও এফআইআর-ও দায়ের করে পরিবার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে  গ্রেফতার করা হয় বেসরকারি সংস্থা নিযুক্ত ওই নিরাপত্তারক্ষীকে।

জানা গিয়েছে অভিযুক্ত মহেশ কুমার দানাপুরের বাসিন্দা। বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি সেনার প্রাক্তন কর্মী। বর্তমানে একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার তরফে তাকে হাসপাতালে ডিউটিতে পাঠানো হয়েছিল। অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী গত তিনমাস ধরে হাসপাতালে কর্মরত  ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:প্রথম শ্রেণিতে বোর্ড পরীক্ষায় পাস, গ্যাংস্টারের সঙ্গী হয়ে মাত্র ১৬ বছরে চরম পরিণতি ডেকে আনল কার্তিকে

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিহার রাজ্য মহিলা কমিশনের সভাপতি দিলমণি মিশ্র জানান, মেয়েটির মেডিক্যাল রিপোর্ট ২-৩ দিনের মধ্যে চলে আসবে। ঘটনাটিকে অত্যন্ত ভয়াবহ উল্লেখ করে তিনি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। যদিও, নিজেকে নির্দোষ বলেই দাবি করেছে অভিযুক্ত মহেশ প্রসাদ। মহেশ  বলে, সে কোনও অন্যায় করেনি। কাউকে ধর্ষণও করেনি।