সপ্তাহের প্রথম দিনেই ঝিমুনি অব্যাহত শেয়ার বাজারে। সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে মুখ থুবড়ে পড়ে সূচক। বেলা বাড়ার পরেও পরিস্থিতি তেমন স্বাভাবিক হয়নি। উল্টে বিকেলে বজার বন্ধ হওয়ার সময় বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে সেনসেক্সের সূচক ৩১,৭০৫.৬১ থেকে ৭.৮৫ শতাংশ নেমে হয়  ২,৩৯৭.৮৭ পয়েন্ট। একই অবস্থা নিফটিরও। নিফটির সূচক ৯,২৯৩.২০ থেকে ৭.৬৫ শতাংশ নেমে আসে ৬৬২.০০ পয়েন্টে। 

 

এইচডিএফসিস, টাটা স্টিল, ইনদাসল্যান্ড ব্যাঙ্ক, রিলায়েন্সসহ একাধিক সংস্থার সূচক প্রায় ১০০০ পয়েন্ট পড়ে গেছে। ৫০ শতাংশ পড়েছে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক সহ একাধিক সংস্থার সূচক। 

আরও পড়ুনঃ আরও বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের ভরাডুবি হতে পারে, লোকসভায় দাঁড়িয়ে আশঙ্কা প্রকাশ রাহুল গান্ধির

আরও পড়ুনঃ ইয়েস ব্যাঙ্ককাণ্ডে ইডির সমন রিলায়েন্স গ্রুপের প্রধান অনিল অম্বানিকে

দালাল স্ট্রিটের ব্রোকারদের মতে  করোনা আতঙ্ক ছায়া ফেলেছে স্টক এক্সচেঞ্জেও। লগ্নি করতে ভয় পাচ্ছেন লগ্নিকারীরা। শেয়ার বাজারে ধসের জন্য অনেকে আবার দায়ি করেছেন আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কোনও আগাম সূচনা ছাড়াই ব্যাঙ্ক রেট কমিয়ে দেওয়াকে। 

আরও পড়ুনঃ প্রেমিকাকে খুন করে গাড়ি সামনে সিটে বসিয়ে ৪৫ মিনিটের দুবাই সফর

গত সপ্তাহ থেকেই শেয়ার বাজারে মন্দা দেখা দিয়েছিল। গত সোমবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে ধস নামে। পরে কিছুটা হলেও সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি তেমন বদলায়নি। শুক্রবার নজিরবিহীন ভাবে ৪৫ মিনিটের জন্য বন্ধ করে রাখা হয়েছিল শেয়ার বাজার। ধস রুখতেই বন্ধ রাখা হয়েছিল বাজার। বাজার খোলার পর কিছুটা হলেও গতি পেয়েছিল। তাই অনেকেই আশা করেছিলেন সোমবার থেকে কিছুটা হলেও চাঙ্গা হবে শেয়ার বাজার। কিন্তু সপ্তাহের প্রথম দিন সকাল থেকেই বাজারে যে ঝিমুনি দেখা দিয়েছিল তা অব্যাহত রইল বিকেলেও।