গোটা বিশ্বের সঙ্গে ভারতেরও অনিশ্চত হয়ে পড়ল করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক। ব্রিটেনের পর এবার দেশেও বন্ধ হয়ে গেল অক্সফোর্ডের আবিষ্কার করা করোনাভাইরাসের টিকা কোভিশিল্ডের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। ভারতে এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করছিল সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া।  বৃহস্পতিবারই পুনের প্রতিষেধক নির্মানকারী সংস্থার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানান হয়েছে তৃতীয় পর্বের পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। 

ব্রিটিশ সুইডিস সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অস্কফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করেছিল। ব্রিটেন সহ একাধিক দেশে যৌগ উদ্যোগে তা মানব দেশে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। প্রথম ও দ্বিতীয়ধাপে মোটের ওপর উত্তীর্ণ হয়েগিয়েছিল দুটি সংস্থা। তারপর থেকে মহামারি থেকে রেহাই পাওয়ার আশায় বুক বেঁধে অপেক্ষা শুরু করেছিল বিশ্ব। কিন্তু তৃতীয় দফার পরীক্ষায় বাধ সেধেছে। প্রতিষধেক গ্রহণকারী অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরীক্ষা স্থগিত রেখেছে ব্রিটেনের সংস্থাটি। কিন্তু তারপরেও এদেশে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল সেরাম।

চিনের সঙ্গে বৈঠকের আগেই ভয় ধরাল উপগ্রহ চিত্র, ড্রাগনের নজর এবার প্যাংগং-এর উত্তরে ...

রাশিয়ার করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে খোলা চিঠি, তথ্যের গরমিল রয়েছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের ..

বুধবার  ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি শোকজ নোটিশ পাঠান হয় পুনের সেরাম ইনস্টিটিউটকে। ব্রিটেনের ঘটনার উল্লেখ করেই সেরামকে চিঠি পাঠান হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ডিসিজিআই-এর পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে নিরাপত্তার কারণে যখন অ্যাস্ট্রজেনেকা যখন ট্রায়াল বন্ধ করে দিয়েছে তখন কী করে সেরাম পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড টিকার প্রভাবে ব্রিটেনের স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে কী ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে? তার বিস্তারিত রিপোর্ট কেন সেরাম এখনও পর্যন্ত জমা করেনি তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। 

এরপরই সেরামের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, অ্যাস্ট্রাজেনেকা নতুন করে পরীক্ষা শুরু না করা পর্যন্ত তারা ভারতে তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা বন্ধ রাখবে। ইতিমধ্যেই হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবীকে নিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। আগামী সপ্তাহে পরীক্ষামূলক ভাবে মানবদেহে করোনার প্রতিষেধক প্রয়োদের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।