দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি সনিয়া গান্ধীকে সেই সম্মান জানানোর দাবি জদানালেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত। বুধবার টুইট করে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন। তবে শুধু সনিয়া গান্ধী নন, একইসঙ্গে  বহুজন সমাজবাদী পার্টির নেত্রী মায়াবতীকেও এই পুরস্কারের দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাওয়াত।

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় হরিশ রাওয়াত বলেন, বিএসপি প্রধান এবং কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি - দুজনেই 'শক্তিশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব'। সনিয়া-কে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি প্রসঙ্গে রাওয়াত বলেন, সনিয়া গান্ধীর রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে কেউ একমত না-ই হতে পারেন, কিন্তু মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং জনসেবার ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানকে কেউই অস্বীকার করতে পারবেন না। বর্তমান ভারতের নারীত্বের প্রশংসনীয় চিত্র হিসাবে তিনি সনিয়াকে বর্ণনা করেছেন।

আরও এক টুইটে তিনি বসপা সুপ্রিমো মায়াবতী-রও সনিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে ভারতরত্ন পাওয়া উচিত বলে জানান উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। মায়াবতী সম্পর্কে তিনি বলেন,  নিপীড়িত ও শোষিতদের কণ্ঠ তিনি। সমাদের পিছিয়ে পড়া অংশের মনে তিনি আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করেছেন। তিনি বলেন, 'ভারত সরকারের উচিত এই বছর দুজনকেই ভারতরত্ন প্রদান করে তাঁদের সম্মানিত করা'। টুইটটিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কংগ্রেস দল, মায়াবতী এবং রাহুল গান্ধীকে ট্যাগ করেছেন।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে অনুযায়ী বর্ষিয়ান কংগ্রেস নেতার এই দাবি এবং তা জানানো সময়, কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারাই বিস্মিত। সনিয়া কংগ্রেসের প্রধান নেত্রী। কংগ্রেস নেতা হিসাবে তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি জানানো হরিশ রাওয়াতের পক্ষে অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু সনিয়ার সঙ্গে একই আসনে তিনি কীভাবে মায়াবতীকে জুড়ে দিতে পারেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। বিশেষ করে, এখন উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীকে যেন তেন প্রকারে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সম্প্রতি, তিনি বসপা সুপ্রিমোকে বিজেপির অঘোষিত মুখপাত্র বলেও দেগে দিয়েছেন।