২৪ বছর পর আবারও রাজ্যসভায় যেতে চলেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবে গৌড়া। কর্নাটক থেকেই রাজ্যসভার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। সোমবার সকালে  তাঁর ছেলে কুমারস্বামী সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই খবর জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বলেছেন সোনিয়া গান্ধীর অনুরোধেই রাজ্যসভার ভোটে লড়াইয়ে রাজি হয়েছেন তাঁর বাবা। জাতীয় স্তরের নেতৃত্বও তাঁর বাবাকে প্রার্থীর হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 


১৯৯৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সময়  রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়ে প্রথম সংসদে প্রবেশ করেন তিনি। বর্তমানে দেবেগৌড়ার বয়স ৮৭।  কুমারস্বামী জানিয়েছেনএই বয়সে তাঁকে ভোটযুদ্ধে রাজি করানো খুব সহজ কাজ নয়। দেবেগৌড়া সর্বদা জনগণের সঙ্গে থেকেছেন। তিনি যেমন জয় দেখেছেন। তেমনই পরাজয়ও দেখেছেন। জনগণের সাহায্যেই উচ্চপদে অর্জন করতে পেরেছিলেন বলেও জানিয়েছে কুমারস্বামী। আগামিকাল মনোনয়ন জমা দেবে দেবেগৌড়া। 

সোনু সুদের চালে বিপাকে শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত, উদ্ধবের বাড়ি মাতুশ্রীতে হল বৈঠক ...

 মির্জা গালিবের কবিতার উক্তি তুলে অমিত শাহকে নিশানা, 'মন ভালো রাখার উপায়' বললেন রাহুল ...

১৯৯৬ সালে যুক্তফ্রন্টের নেতা  হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসা প্রায় পাকা করে ফেলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসু। কিন্তু  সিপিএম-এর দলীয় বিরোধের কারণে প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় হয়নি তাঁর।  সেই সময় জ্যোতি বসুর হাত ধরেই সংসদে পা রেখেছিলেন এইচডি দেবেগৌড়া। তারপর থেকে দীর্ঘদিন তিনি ছিলেন সাংসদ। গত লোকসভা নির্বাচনেই তিনি বিজেপি প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। 

আগামী ২-৩ মাস দেশে করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে, হুঁশিয়ারি এইমস প্রধানের ...

কর্নাটক থেকে রাজ্যসভায়ে যেতে যে কোনও প্রার্থীরই ৪৪ বিধায়কের ভোটের প্রয়োজন রয়েছে। কংগ্রেসের আসন সংখ্যা ৬৮। তাদের প্রথম পছন্দ মল্লিকার্জুন খাড়গে। রাজ্যসভায় দ্বিতীয় কোনও প্রার্থীকে পাঠানে কংগ্রেসের হাতে অতিরিক্ত ভোট থাকছে। আর কংগ্রেসেও জানিয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে তারা পূর্ণ সমর্থন জানাবে। অর্থাৎ দ্বিতীয়বারের জন্য রাজ্যসভার সাংসদ হওয়া প্রায় পাকা করে ফেলেছেন এইচডি দেবেগৌড়া।