কড়া পদক্ষেপ! বন্ধ হল রাজ্যের ৬৮ হাজার সরকারি কর্মীর বেতন, কেন এমন সিদ্ধান্ত সরকারের?
রাজ্য সরকার এক কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ৬৮,২৩৬ জন কর্মীর জানুয়ারি মাসের বেতন আটকে দিয়েছে। সরকারের নির্দেশ মতো স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ সরকারি পোর্টালে না জানানোর কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

কড়া পদক্ষেপ নিল সরকার। এবার বন্ধ হল ৬৮ হাজার ২৩৬ জন কর্মীর বেতন। জানুয়ারি মাসের বেতন আটকে রাখা হল সরকারের তরফে। সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া পদক্ষেপ নিল সরকার। জেনে নিন কেন এমন ঘটনা ঘটল।
প্রকাশ্যে আসা তথ্য বলছে, আগে বারংবার ওয়ার্নিং দেওয়া হয়েছে। তবে কাজ না হওয়ায় শেষে ৬৮ হাজার ২৩৬ জন কর্মীর বেতন আটকানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। যোগী সরকার ৬৮ হাজার ২৩৬ জন কর্মীর বেতন আটকে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এই কর্মীরা নিজেদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ জানাননি।
সরকারের তরফে বলা হয়েছিল, সরকারি পোর্টালে সমস্ত স্থায়ী এবং অস্থায়ী সম্পদের বিস্তারিত জানাতে হবে। নির্দেশ না মানায় বেতন আটকে রাখা হল। ৩১ ডিসেম্বর লাস্ট ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, সে কাজ না করায় শেষে বন্ধ করা হল বেতন।
উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা ১৭.৮৮ লাখের বেশি। সরকারি নির্দেশ না মানায় তাদের একাংশ অগস্টের বেতন পাননি বলে জানা গিয়েছে। ইউপি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তারা দুর্নীতি নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে।
সরকারি কর্মীদের মধ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের সমস্ত কর্মীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জানাতে হয় বছর শেষে। যদি কেউ সেই নিয়ম না মানে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিচারর-বিভাগীয় তদন্ত হবে। এবার দুর্নীতি রুখতে কড়া অবস্থান নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার।

