Stray Dogs: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও অত্যন্ত বিপজ্জনক কুকুরদের ক্ষেত্রে 'ইউথেনেশিয়া' বা নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিভিন্ন প্রান্তে পথকুকুরের হামলা, কুকুরের কামড়ে মৃত্যু এবং জলাতঙ্কের বাড়বাড়ন্তের ঘটনাকে মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দিয়েছে।

Stray Dog Case Judgment: সুপ্রিম কোর্টের বড় রায়। এবার জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও অত্যন্ত বিপজ্জনক কুকুরদের ক্ষেত্রে 'ইউথেনেশিয়া' বা নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুর অনুমতি মিলল। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পথকুকুরের হামলা, কুকুরের কামড়ে মৃত্যু এবং জলাতঙ্কের বাড়বাড়ন্তের ঘটনাকে মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম স্পষ্ট জানিয়েছে, মানুষের জীবনের সুরক্ষা সবার আগে। কোনও কুকুর যদি জলাতঙ্কে আক্রান্ত বলে চিকিৎসকদের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় অথবা বারবার মানুষের উপর আক্রমণাত্মক আচরণ করে জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন ও পুরসভা প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে ইউথেনেশিয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী জানাল সুপ্রিম কোর্ট

তবে সুপ্রিম কোর্ট একই সঙ্গে এও জানিয়েছে যে নির্বিচারে কুকুর হত্যা কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শুধুমাত্র চিকিৎসাগতভাবে ‘রেবিস’ নিশ্চিত হওয়া বা নির্দিষ্টভাবে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত কুকুরদের ক্ষেত্রেই এই পদক্ষেপ করা যাবে। এর জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে পশু চিকিৎসকদের মতামত, নথিভুক্ত মূল্যায়ন এবং নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, দেশে অনিয়ন্ত্রিত পথকুকুরের সংখ্যা এখন বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জলাতঙ্ক এখনও ভারতে একটি মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ, যা মূলত কুকুরের কামড় থেকেই ছড়ায়। বহু শহর ও রাজ্যে সাম্প্রতিক কালে পথকুকুরের হামলার ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে।

পথকুকুর বিপজ্জনক নয়

এই রায়ের ফলে পুরসভা ও স্থানীয় প্রশাসন উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আরও দ্রুত এবং কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেসব পথকুকুর বিপজ্জনক নয়, তাদের ক্ষেত্রে বন্ধ্যাকরণ, টিকাকরণ ও পুনর্বাসনের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। প্রাণী অধিকার সংগঠনগুলিকেও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের বক্তব্য, প্রাণী কল্যাণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও, স্পষ্ট বিপদের পরিস্থিতিতে মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারই অগ্রাধিকার পাবে।