মামলার শুনানিতে বড়সড় ধাক্কা খেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা অন্য রাজ্যে সরানোর জন্য শুভেন্দুর আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

২০২১-এর বিধানসভা ভোটের গণনায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ তুলে এবং পুনর্গণনার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল মূলত শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। এরপরেই কলকাতা হাই কোর্ট থেকে নন্দীগ্রামে ভোট গণনা মামলা অন্যত্র সরানোর আবেদন জানিয়ে জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু। তাঁর দাবি ছিল, কলকাতা হাই কোর্টে ওই মামলার নিরপেক্ষ বিচার পাওয়া যাবে না। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এবার এই মামলার শুনানিতে বড়সড় ধাক্কা খেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা অন্য রাজ্যে সরানোর জন্য শুভেন্দুর আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের শুক্রবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কলকাতা হাই কোর্টে নীলবাড়ির লড়াই-পর্বে নন্দীগ্রামের ভোটগণনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের দ্রুত শুনানির আর কোনও বাধা রইল না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মামলা করার পরে ওই মামলাটি বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে যায়। বিচারপতি চন্দের সঙ্গে বিজেপির পূর্ব যোগ রয়েছে, এই অভিযোগ তুলে ‘নিরপেক্ষ’ বিচারের জন্য ওই বেঞ্চ থেকে মামলা সরানোর আর্জি জানান মমতা। মমতার সেই আর্জি মেনে মামলা থেকে অব্যাহতি নেন বিচারপতি চন্দ। মামলাটি ওঠে বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মামলা সরানোর আর্জিতে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি যে বিজেপিকে কিছুটা ব্যাকফুটে ঠেলল তা বলাই বাহুল্য। দেশের অন্য যে কোনও হাই কোর্টে এই মামলা সরানোর দাবিতে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি হিমা কোহলীর বেঞ্চ শুক্রবার শুভেন্দুর সেই আবেদন খারিজ করে জানায়, ওই মামলা অন্য আদালতে স্থানান্তরিত করা হলে হাই কোর্টের প্রতি মানুষের আস্থা কমবে।