ভারতীয় নৌবাহিনী পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রের সন্ধানকারী এবং নির্দেশিকা প্রযুক্তিও পরীক্ষা করা হয়েছিল। জেনে রাখা ভালো যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য তৈরি করা ইনস্ট্রাকশন সেই প্রযুক্তির একটি অংশ।

মঙ্গলবার ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিও দেশীয়ভাবে তৈরি নৌ-জাহাজ-বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করেছে। সিকিং ৪২বি হেলিকপ্টার থেকে এই পরীক্ষা করা হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর হওয়ার পথে এই পরীক্ষাটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পরীক্ষার সময় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিও-র শীর্ষ আধিকারিকরাও এই পরীক্ষার দিকে নজর রেখেছিলেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ভারতীয় নৌবাহিনী পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রের সন্ধানকারী এবং নির্দেশিকা প্রযুক্তিও পরীক্ষা করা হয়েছিল। জেনে রাখা ভালো যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য তৈরি করা ইনস্ট্রাকশন সেই প্রযুক্তির একটি অংশ। একটি ক্ষেপণাস্ত্র কতটা কার্যকর তা নির্ভর করে তার নির্দেশিকা প্রযুক্তির ওপর। নৌবাহিনীর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়ে আসা ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার একটি জাহাজ-বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ছে, যা সফলভাবে তার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। এর আগে গত বছরের মে মাসেও ডিআরডিওর সহযোগিতায় নৌসেনা জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করেছিল।

ভারত সরকার প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশকে স্বনির্ভর করার চেষ্টা করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে, ডিআরডিও, ডিফেন্স পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিংস এবং অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে আমাদের দেশ অস্ত্র সরবরাহের জন্য অনেকাংশে বিদেশের ওপর নির্ভরশীল হলেও এখন সরকার অস্ত্র আমদানি বন্ধে দেশে অস্ত্র তৈরি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের চুক্তি করছে। বর্তমানে, ইন্টিগ্রেটেড গাইডেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশে চারটি মিসাইল সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে পৃথ্বী মিসাইল, আকাশ মিসাইল, ত্রিশূল এবং নাগ মিসাইল সিস্টেম।

এর আগে অক্টোবল মাসে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার সহ তৃতীয় স্টিলথ ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২০ অক্টোবর হস্তান্তর করা এই যুদ্ধজাহাজটি সারফেস টু সারফেস সুপারসনিক 'ব্রহ্মোস' মিসাইল এবং মাঝারি পাল্লার সারফেস টু এয়ার 'বরাক-8' মিসাইল দিয়ে সজ্জিত। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত, এই যুদ্ধজাহাজে দেশীয়ভাবে তৈরি অ্যান্টি-সাবমেরিন অস্ত্র এবং সেন্সর, প্রধানত হাল মাউন্টেড সোনার হুমসা এনজি, ভারী ওজনের টর্পেডো টিউব লঞ্চার এবং ডুবো যুদ্ধের জন্য রকেট লঞ্চার লাগানো হয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে