Supreme Court On Tmc: জোড়াফুলের প্রতীক মামলায় শীর্ষ আদালতে ফের ধাক্কা তৃণমূলের। আদালতে ধাক্কা খেল কালীঘাটপন্থী তৃণমূল ও ঋত শিবির। কী বলল সুপ্রিম কোর্ট? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Supreme Court On Tmc: জোড়া ফুল প্রতীক ও তৃণমূল কংগ্রেস নাম মালিকানার মামলায় পিছল শুনানি। দুই পক্ষকেই অতিরিক্ত দশ দিন সময় মঞ্জুর করল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এর ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর কমিশনে দুই পক্ষের শুনানিও পিছতে চলেছে। জোড়াফুল প্রতীক ও তৃণমূল কংগ্রেস নাম মালিকানার মামলায় নথি জমা দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়—উভয় পক্ষকেই আরও ১০ দিন অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। পুজোর দশ দিনে সমস্ত স্ট্যাম্প পেপার জোগাড় করতে না পারার কারণ দেখিয়ে নথি জমা দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে অতিরিক্ত সময়ের আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের আইনজীবী।
জোড়াফুল প্রতীক মামলায় কী বলল দেশের শীর্ষ আদালত?
প্রথমে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের বিরোধিতা করেন মমতা তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, দুই পক্ষকেই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। ঋতব্রত শিবিরের আবেদন মেনে তাদের নথি জমা দেওয়ার জন্য আরও ১০ দিন অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করেন প্রধান বিচারপতি। সেই হলফনামা দেখে জবাব দেওয়ার জন্য মমতা তৃণমূলও আরও দশ দিন সময় পাবে বলে জানায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
আগামী ৩০ অক্টোবর এই ইস্যুতে কমিশনে দুই পক্ষের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট দুই শিবিরকে অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করার জন্য ৩০ তারিখ কমিশনে দুই পক্ষের শুনানিও পিছতে চলেছে।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, চার সপ্তাহের মধ্যে দুই শিবিরকে নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিতে হবে এবং কমিশন তিন মাসের মধ্যে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। দুই পক্ষের হলফ মামা জমা দেওয়ার শেষ দিন সোমবারই ছিল। গত সপ্তাহে কমিশনের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছিল, এই বিবাদের নিষ্পত্তি করতে তাদের কতদিন সময় লাগবে। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের নির্বাচনের আগেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হোক। কিন্তু সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ দুইপক্ষকেই অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করায় এই মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা আরও কিছুটা পিছিয়ে গেল, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।


