কলেজিয়াম বৈঠক নিয়ে কোনও তথ্য মিলবে না আরটিআই-তে, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

| Dec 09 2022, 02:31 PM IST

Supreme Court

সংক্ষিপ্ত

বেঞ্চ বলেছে কলেজিয়াম, ১০ জানুয়ারী ২০১৯-এ গৃহীত একটি রেজোলিউশনে উল্লেখ করেছিল যে ১২ ডিসেম্বর ২০১৮-এ অনুষ্ঠিত তার বৈঠকে শুধুমাত্র কিছু নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

কলেজিয়ামের বৈঠক সংক্রান্ত কোনও তথ্য RTI-এর আওতায় আনার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। পিটিশনে দাবি করা হয়েছিল যে ১২ ডিসেম্বর ২০১৮-এ অনুষ্ঠিত কলেজিয়াম সভার তথ্য প্রকাশ করা উচিত। শুক্রবার, বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি সিটি রবিকুমারের বেঞ্চ বলেছেন যে কলেজিয়ামের সমস্ত সদস্য যে সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেছেন, তাকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলা যেতে পারে।

কেন তথ্য দিতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট

Subscribe to get breaking news alerts

সদস্যদের মধ্যে আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে প্রণীত সম্ভাব্য প্রস্তাবগুলো সকল সদস্যের স্বাক্ষর না হলে চূড়ান্ত বলা যাবে না। বেঞ্চ বলেছে যে 'কলেজিয়াম হল অনেক সদস্যের একটি সংস্থা, যার অস্থায়ী সিদ্ধান্ত সর্বজনীন ডোমেনে রাখা যায় না'।

সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে এটি মিডিয়া রিপোর্ট এবং কলেজিয়ামের প্রাক্তন সদস্যের সাক্ষাত্কারের উপর নির্ভর করতে পারে না। বেঞ্চ বলেছে যে প্রাক্তন বিচারপতিদের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করতে চায় না। কলেজিয়াম, ১০ জানুয়ারী ২০১৯-এ গৃহীত একটি রেজোলিউশনে উল্লেখ করেছিল যে ১২ ডিসেম্বর ২০১৮-এ অনুষ্ঠিত তার বৈঠকে শুধুমাত্র কিছু নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আবেদনকারীর দাবি কী ছিল?

RTI কর্মী অঞ্জলি ভরদ্বাজ ১২ ডিসেম্বর ২০১৮-এ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম সভার এজেন্ডা প্রকাশের জন্য হাইকোর্ট তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করার পরে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। বিচারপতি এমবি লোকুর আগে এই কলেজিয়ামের সদস্য ছিলেন, কিন্তু তাঁর অবসরের কারণে কলেজিয়ামের সমীকরণ বদলে যায়। কলেজিয়ামের ওই বৈঠকে কয়েকজন বিচারপতির পদোন্নতির বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

এর আগে, সুপ্রিম কোর্ট উচ্চতর বিচার বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য কলেজিয়াম দ্বারা সুপারিশ করা নামগুলি পরিষ্কার করতে কেন্দ্রীয় সরকার বিলম্ব করছে বলে অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বলেছে, এটি নিয়োগের পদ্ধতিতে কার্যকরভাবে হতাশ করবে। বিচারপতি এসকে কৌল ও এএস ওকার একটি বেঞ্চ বলেছে যে শীর্ষ আদালতের তিন বিচারপতর বেঞ্চ নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে সময়সীমা মেনে চলা জরুরি।

বিচারপতি কৌল পর্যবেক্ষণ করেছেন যে সরকার এই সত্যে অসন্তুষ্ট যে জাতীয় বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কমিশন আইন জমা জেয়নি। তবে এটি আইন মেনে না চলার কারণ হতে পারে না। শীর্ষ আদালত ২০১৫ সালের রায়ে NJAC আইন এবং সংবিধান (৯৯ তম সংশোধন) আইন, ২০১৪ বাতিল করেছিল, যার ফলে সাংবিধানিক আদালতে বিচারক নিয়োগের বিদ্যমান বিচারকদের কলেজিয়াম ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল।