রবিবার কৃষি বিল নিয়ে রাজ্যসভায় চরম বিক্ষোভ দেখিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যার প্রথম সারিতেই ছিলেন ডেরেক ও'ব্রায়ন। কিন্তু পিছিয়ে ছিল না সিপিএম বা কংগ্রেস। সংসদীয় আরচরণ না মানার অভিযোগে বিরোধীদলের ৮ সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু এদিন সেই সাসপেন্ড পর্বেও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেন। প্রথমে সাসপেন্ড হওয়া ৮ সাংসদ রাজ্যসভা ছেড়ে বার হতে চাননি। কিন্তু সাময়িক তরজার পর তারা বার হন রাজ্যসভা থেকে। কিন্তু তার আগেই প্রায় ৫ বার রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি করে দিতে হয়। সভা থেকে বেরিয়ে গিয়ে সংসদ চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। গান্ধী মূর্তির পাদদেশে তাঁদের সঙ্গে বিরোধে সামিল হল দলের বাকি সাংসদরাও। 

তৃণমূল কংগ্রেসের ডেরেক ও'ব্রায়েন আর দোলা সেনের সঙ্গেই সাসপেন্ড করা হয়েছে সিপিএম সাংসদ কেকে রাজেশ আর এলামারাম করিমকে। তালিকায় রয়েছে কংগ্রেসের রাজীব সাতাব, রিপুন বোরা আর সৈয়দ নাসির হুসেনের নাম।  তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদের সঙ্গে প্রায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিবাদে মুখর হলেন সিপিএম সাংসদরা। যদিও করোনাভাইরাস সংক্রান্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে ৮ সাংসদই নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই বিক্ষোভে সরব হয়েছিলেন। প্রত্যেক সাংসদও মাস্ক পরেই বিক্ষোভ দেখান। 

 

অন্যদিকে রবিবারের ঘটনার সমালোচনা করেছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাউডু। ডেপুটি চেয়ারম্যানকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন এই ঘটনায় তিনি মর্মাহত।  ডেপুটি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিরোধীরা যে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল তাও খারিজ করে দেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু। তিনি বলেন ৮ সাংসদ সভার মর্যাদা নষ্ট করেছে। তবে এই বিষয়টি এখনই ইতি টানতে নারাজ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।  ধ্বনী ভোটে কৃষি বিল পাশ আর আট সাংসদকে সাসপেন্ডের ঘটনার জেরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দের দ্বারস্থ হতে পারেন বলেই সূত্রের খবর।