গরুড় কমান্ডো কাশ্মীরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং সামরিক ঘাঁটির নিরাপত্তার জন্য পরিচিত। ভারতীয় বিমান বাহিনী এলএসি বরাবর মোতায়েন করা তার বিশেষ বাহিনীকে আমেরিকান সিগ সাউয়ার অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো আধুনিক অস্ত্র এবং আপগ্রেড করা AK-103 দিয়ে সজ্জিত করেছে

চিনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে ভারত। মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, ২০২০ সালের মে থেকে, ভারতীয় বিমান বাহিনীর গরুড় বিশেষ বাহিনীকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বিশেষজ্ঞ অপারেশনের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। গরুড় কমান্ডোরা চিন সীমান্তে উঁচু এলাকা থেকে চিনা সেনাবাহিনীর কার্যকলাপের উপর কড়া নজর রাখছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গরুড় কমান্ডো কাশ্মীরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং সামরিক ঘাঁটির নিরাপত্তার জন্য পরিচিত। ভারতীয় বিমান বাহিনী এলএসি বরাবর মোতায়েন করা তার বিশেষ বাহিনীকে আমেরিকান সিগ সাউয়ার অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো আধুনিক অস্ত্র এবং আপগ্রেড করা AK-103 দিয়ে সজ্জিত করেছে। এর সর্বশেষ সংস্করণ AK-203 মেক ইন ইন্ডিয়া স্কিমের অধীনে ভারতে তৈরি করা হবে।

ভারতীয় বায়ুসেনার কর্মকর্তারা বলেছেন যে গরুড় বিশেষ বাহিনী পূর্ব লাদাখ থেকে সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চিন সীমান্ত বরাবর সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন রয়েছে, যেখানে তারা প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ অভিযান পরিচালনা করবে। তিনি বলেছিলেন যে এলএসি বরাবর এই সৈন্যদের মোতায়েন ২০২০ সালের দিকে, যখন ভারতীয় বিমান বাহিনী এই অঞ্চলে চিনা সামরিক আগ্রাসনের মোকাবিলায় আক্রমণাত্মকভাবে নিজেকে মোতায়েন করেছিল।

অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরে ভারতীয় ও চিনা সেনার মধ্যে সংঘর্ষের পর সীমান্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। সংঘর্ষে বিপুল সংখ্যক চিনা সেনা আহত হয়েছে। চিন যখন তার সামরিক প্রস্তুতির গতি ক্রমশ বাড়াচ্ছে, ভারত তখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি রুটিন সামরিক মহড়া শুরু করতে চলেছে। সীমান্ত এলাকায় গর্জে উঠছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিমান, ড্রোন ও বিমান অস্ত্র। এই যুদ্ধ মহড়া নিশ্চিতভাবেই চিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন যুদ্ধবিশেষজ্ঞদের একাংশ।

জানা গিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা ১৫ এবং ১৬ ডিসেম্বর দেশের পূর্ব সেক্টরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মহড়া চালাতে চলেছে। যুদ্ধ মহড়ায় ভারতের যুদ্ধবিমান, পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ওড়ানো হবে। আকাশে ভারতের বীরত্ব বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হতে চলেছে। তাওয়াং সংঘাতের পর এটি ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। যদিও এটি একটি রুটিন মহড়া। তবু এটি চিনের উপর কৌশলগত প্রভাব ফেলবে তা নিশ্চিত।

অসমের তেজপুর, চাবুয়া, জোড়হাট এবং পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারা বিমান ঘাঁটি বায়ুসেনার যুদ্ধ মহড়ায় সক্রিয় থাকবে। হাসিমারা বিমান ঘাঁটিতে রাফালে যুদ্ধবিমান রয়েছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী তার যুদ্ধ মহড়ার মাধ্যমে প্রমাণ করতে চলেছে যে ভারত তার সীমান্ত রক্ষা করতে জানে।