আরব সাগরে একটা নয় দুটো ঘূর্ণি ঝড়ের ঘনীভূত হয়েছে। তেমনই জানিয়েছে মৌসম ভবন। দুটি ঘূর্ণিঝড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে। তবে একটা ঘূর্ণিঝড় নিম্নচাপে পরিণত হবে। আগামী রবিবার অথবা সামনের সপ্তাহে ভারতের পশ্চিম উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অন্য ঘূর্ণি ঝড়টি আফ্রিকা উপকূলে অবস্থিত। সম্ভবত ওমান ও ইয়েমেন দিকে অগ্রসর হতে পারে। 

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণেই আগামী দুই থেকে তিন দিন পশ্চিম হিমালয়ের পাদদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই দেশের অধিকাংশ এলাকাই নিস্তার পেয়েছে দাবদহ থেকে। আগামিকাল থেকে দোশরা জুনের মধ্যে উত্তরভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দাবদহ থেকে মুক্তি পাবে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে। এই পরিস্থিতি দক্ষিণ পশ্চিম ভারতে বর্ষা আসার পক্ষে অনুকূল বলেও জানান হয়েছে। বর্ষাকে ত্বরান্বিত করার আশারও তাঁরা দেখছেন।  

একই সঙ্গে আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে নির্ধারিত সময়ই বর্ষা আসছে কেরলে। অর্থাৎ আগামী পয়লা জুন। কারণ আমফানের কারণে বর্শা পাঁচ দিন পিছিয়ে যাবে বলে আগে জানান হয়েছিল। আপাতত সেই সম্ভাবনা খারিজ করে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।  আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে আগামী বেশ কয়েকদিন উত্তর-পশ্চিম ভারতের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। কিছুটা হলেও দাবদহ থেকে স্বস্তি পাবেন এলাকার মানুষ। পয়লা জুনে কেরলে বর্ষা এলে পশ্চিম উপকূলের জন্যও আনবে স্বস্তি। যার প্রভাবে মহারাষ্ট্রেরও তাপমাত্রা কমবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

ভারতীয় মূল ভূখণ্ডে বর্ষার অগ্রগতি নির্ভর করে কেরলের ওপর । আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে তীব্র গরম ও শুষ্ক মরশুম বর্ষাকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে ।