গত শনিবার গভীর রাতে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ  হন এক আর্মি কর্নেল, এক মেজর সহ ৫ জন জওয়ান। শহিদ জওয়ানদের অন্ত্যোষ্টি মিটতে না মিটতেই এবার মধুর বদলা নিল ভারতীয় সেনা। বাহিনীর গুলিতে এবার খতম হল হিজবুল মুজাহিদ্দিনের কমান্ডার রিয়াজ নাইকু। 

আরও পড়ুন: আরোগ্য সেতু নিয়ে রাহুলের পর প্রশ্ন হ্যাকারের, তথ্য ফাঁসের দাবি নস্যাৎ করল কেন্দ্র

হিজবুল মুজাহিদ্দিনের কমান্ডার রিয়াজ নাইকুকে ধরতে মঙ্গলবার রাত থেকেই দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় বিশাল তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা। রিয়াজকে ধরতে তার গ্রাম গ্রাম বেইগপোরা গুলজাপোরাতেও হানা দেন জওয়ানরা। এই অঞ্চলে হিজবুল জঙ্গি লুকিয়ে আছে জানার পরেই ২টি তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। 

আরও পড়ুন: সেনায় যোগ দেওয়াই ছিল জীবনের লক্ষ্য, ১২ বার ব্যর্থ হওয়ার পর হয়েছিল কর্নেল আশুতোষের স্বপ্নপূরণ

বেইগপোরা গুলজাপোড়াতেই হিজবুল কমান্ডার  নাইকুর জন্ম। রিয়াজ ওই গ্রামে এসেছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় সেনাবাহিনী। তারপরেই তাকে ধরার জন্য অভিযান শুরু হয়। মঙ্গলবার রাতেই নাইকুর দেহরক্ষীকে মেরে ফেলে সেনা। এর পরেই ঘিরে ফেলা হয়  হিজবুল কমান্ডারকে। 

জানা যাচ্ছে হিজবুল কমান্ডার  নাইকুর মাথার দাম ছিল ১২ লক্ষ টাকা। ২০১৬ সালে অনন্তনাগে সেনাগ সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে  বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরে হিমজুবলের কমান্ডার পদে বসে নাইকু। এনকাউন্টারে সেই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ রিয়াজ নাইকুকে খতম করা সেনার পক্ষে একটা বড় সাফল্য বলাই বাহুল্য। 

কাশ্মীরে একাধিক অপহরণের সঙ্গে যুক্ত ছিল রিয়াজ নাইকু। অবন্তীপুরার পুলওয়ামায় রিয়াজের খোঁজে চলা এনকাউন্টারে  জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়। এদিকে এই স্পর্শকাতর অভিযানের জন্য প্রথম থেকেই সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয় উপত্যকা জুড়ে। কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার শার গ্রামেও অন্য একটি অভিযান চালায় সেনা। গত দু’মাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান করেছে সেনা।