ট্রাইয়ের নির্দেশিকা ঠিকঠাক মানা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে চায় ট্রাই। তাই ২৬ দফা  প্রশ্ন নিয়ে নিয়ে ঘরে ঘরে বেসরকারি সংস্থার লোক পাঠাচ্ছে ট্রাই। আগামী ২৭ মে থেকে শুরু হবে ট্রাইয়ের সমীক্ষা। 

ট্রাইয়ের নির্দেশিকা ঠিকঠাক মানা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে চায় ট্রাই। তাই ২৬ দফা প্রশ্ন নিয়ে নিয়ে ঘরে ঘরে বেসরকারি সংস্থার লোক পাঠাচ্ছে ট্রাই। আগামী ২৭ মে থেকে শুরু হবে ট্রাইয়ের সমীক্ষা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

টিভি দেখার খরচের স্বচ্ছতা আনতে নয়া নিয়ম চালু করে ট্রাই। ২০১৭ সাল থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হলেও, তা কার্যকর করা হয় এ বছরের শুরুতে। সেখানে ট্রাই সুনিশ্চিত করতে চেয়েছিল, দর্শক যে চ্যানেল দেখবেন, পয়সা মেটাবেন শুধু তার জন্য। টিভিতে একসঙ্গে প্রচুর চ্যানেল সম্প্রচার করা হয়। কিন্তু তার জন্য বড় অঙ্কের দাম দর্শকের থেকে নেওয়া চলবে না, এটাই লক্ষ্য ছিল ট্রাইয়ের। দর্শক কোন চ্যানেল দেখবেন, তা যেমন তিনিই ঠিক করবেন, তেমনই সেইসব চ্যানেলের দাম কত, তাও জানাতে হবে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ এবং কেবল সংস্থাকে, নির্দেশ দেয় ট্রাই।

দর্শকের একটি অংশের অভিযোগ, তাঁদের পছন্দের চ্যানেল বাছাইয়ে এখনও স্বাধীনতা দিতে রাজি নয় কেবল সংস্থাগুলির একাংশ। তারা তাদের ইচ্ছামতো চ্যানেল নিতে একপ্রকার বাধ্য করছে দর্শকদের। এই মর্মে অভিযোগ দায়ের হয় ট্রাই’য়েও। এই অভিযোগগুলিই খতিয়ে দেখতে আসরে নামছে ট্রাই।

আগে কেবল চ্যানেল দেখতে লাগত ১৭০-১৮০ টাকার মতো। দর্শকের এক্ষেত্রে নিজের পছন্দ মতো চ্যানেল নেওয়ারও কোনও সুবিধেও ছিল না। ট্রাইয়ের নতুন নিয়মে দর্শক পছন্দ মতো ১০০ টি ফ্রি চ্যানেল বেছে নিতে পারবে। তাতে তার খরচ হবে জিএসটি সমেত ১৫৩ টাকা। ৪০ পয়সা নিয়ম অনুযায়ী এর পরের ২৫ টি চ্যানেল দর্শকরা নিজেরা পছন্দ করে নিতে পারবে, তার জন্যে ২০ টাকা করে দিতে হবে।

কিন্তু অভিযোগ, কেবল অপারেটররা এখনও ওই একশোটি ফ্রি চ্যানেল বাছাইয়ের সুবিধে দিচ্ছেন না। এমনকী স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে না পরের ২৫ টি চ্যানেল বাছাইয়েরও, চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এক গুচ্ছ চ্যানেল। অতীতে মন্থন বা সিটি কেবলের আওতাধীন দর্শক প্রায় সমস্ত চ্যানেল দেখতে পেতেন ৩৮০ টাকায়। এখন তাকেই গুণতে হচ্ছে প্রায় ৭৫০ টাকা। ফলে দর্শকদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।

এই সমস্ত বিষয়গুলিই খতিয়ে দেখতে চায় ট্রাই। পছন্দের চাানেল গুলি দেখতে কী সমস্যা হচ্ছে তা বুঝতে ২৬ দফা প্রশ্ন তৈরি করেছে ট্রাই কর্তৃপক্ষ। আশা করা যাচ্ছে, গ্রাহকের ভাগ্য ফিরবে ট্রাই সমীক্ষার পরে।