সোমবার রাতে ঋষিকেশের কাছে লাইনচ্যুত হল উজ্জয়িনী এক্সপ্রেসের তিনটি খালি কোচ। শাটিং করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। রেললাইন পরিষ্কার করে পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ঋষিকেশের খন্ড গাঁও বিস্থাপিত এলাকার কাছে সোমবার গভীর রাতে উজ্জয়িনী এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত কোচগুলিকে সরানোর কাজ মঙ্গলবারও দিনভর চলল। রেল আধিকারিকদের মতে, রেল প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত রেল ট্র্যাক সারানো এবং কোচগুলিকে সরানোর জন্য একটানা কাজ করে চলেছে। ক্রেনের সাহায্যে উজ্জয়িনী এক্সপ্রেসের তিনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কোচকে লাইন থেকে সরানোর কাজ চলছে। রেল পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলিকে নামিয়ে এনে লাইন পরিষ্কার করা হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে মেরামতির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

ঋষিকেশে লাইনচ্যুত তিনটি কোচ
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এর আগে ১৪৩১৭ নম্বর উজ্জয়িনী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঋষিকেশের খন্ড গাঁও-এর কাছে রেল ইয়ার্ডে শাটিং করার সময় তার তিনটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। মোরাদাবাদ ডিভিশনের নর্দার্ন রেলওয়ে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটি সম্পূর্ণ খালি ছিল। তাই কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বা কেউ আহত হননি। লাইনচ্যুত হওয়ার পরেই রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়, যা সারারাত ধরে চলে এবং সকালেও জারি থাকে।
কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি। সোমবার রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ ঋষিকেশের যোগ নগরী রেলওয়ে স্টেশনের কাছে উজ্জয়িনী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাটি ঘটে খন্ড ভিলেজ এলাকায়।
তদন্ত শুরু, ব্রেক ফেলের আশঙ্কা
প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে যে, রুটিন রক্ষণাবেক্ষণের সময় ট্রেনটির ব্রেক ফেল করেছিল। গোটা ট্রেনটি কেন সেই সময় চালানো হচ্ছিল, তা নিয়েও বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। এমনও অভিযোগ উঠছে যে, দুর্ঘটনার আড়াই ঘণ্টা পরেও রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি। দুর্ঘটনার পর রেললাইনের উপর প্রচুর মানুষ ভিড় করেন। পরে জিআরপি (সরকারি রেল পুলিশ) কর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং ঘটনাস্থল থেকে লোকজনকে সরিয়ে দেন। রেল বিভাগ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।


